দিল্লি অপেক্ষায় ছিল। লালগালিচা প্রস্তুত ছিল। কিন্তু ঢাকা থেকে গেল মাত্র একটি বার্তা, যে বার্তায় আঁতকে উঠল সাউথ ব্লক। বার্তাটি সহজ, স্পষ্ট এবং আপসহীন। আগে ফেরত দাও পলাতক শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের, ফেরত দাও জুলাই অভ্যুত্থানের অগ্রনায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদির ঘাতকদের, তারপর হবে সফরের আলোচনা।
শর্ত পূরণ না হলে প্রধানমন্ত্রী দিল্লির মাটিতে পা রাখবেন না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবেই জানিয়ে দেওয়া হলো এ অবস্থান, আর সেই সঙ্গে আপাতত বাতিল হয়ে গেল বহুল আলোচিত দিল্লি সফরের সম্ভাবনা।
ভারতের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এখনই দেশটিতে সফরে না যাওয়ার এই দৃঢ়োচিত সিদ্ধান্ততে কূটনীতির মাঠে বাংলাদেশের ‘কাউন্টার অ্যাটাক’ বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, সাউথ ব্লকের কথায় তাৎক্ষণিক সাড়া না দিয়ে বরং কিছুটা সময় নেওয়ায় বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়ছে। যদিও ভারতীয় গণমাধ্যম এবং দেশটির কূটনৈতিক মহল থেকে বলা হচ্ছে তারেক রহমান এখনই ভারত সফরে না গেলে তার বিরাট ক্ষতি হতে পারে। তাই কালবিলম্ব না করেই তার ভারতে সফরে যাওয়া উচিত। কিন্তু ৬ মাস পেরিয়ে ৭ মাসে পা দেওয়া তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার তার পররাষ্ট্রনীতিতে বিশেষ করে ভারত সফর ইস্যুতে যে দৃঢ়চেতা মনোভাব দেখিয়েছে এতে প্রশংসা করছেন দেশের কূটনৈতিক মহল। আর সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনরা তো আরো এক কাঠি সরেশ।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত আছে। এ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে দুই দিনের সফর আয়োজনের জন্য সম্ভাব্য তারিখও প্রস্তাবে ছিল। এখন ওই তারিখের পরিবর্তে কাছাকাছি সময়ে সফরটির কথা ভাবছে বাংলাদেশ। আগস্টের তৃতীয় আর চতুর্থ সপ্তাহের মধ্যে এ সফরের সূচি নিয়ে দুই দেশ পৃথক তারিখের বিষয়টি বিবেচনা করছে। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দুটি শর্তের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরায় প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর আবার অনিশ্চয়তায় পড়ল কি না- তা নিয়ে কোনো দেশের কর্মকর্তারাই স্পষ্ট বার্তা দেননি।
কিন্তু এর মধ্যেই দুই সরকারের মধ্যে অস্বস্তির বড় বিষয় হয়ে দাঁড়ায় দিল্লিতে শেখ হাসিনার একটি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের ঘটনা। জুলাই গণ অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ওই সংবাদ সম্মেলনের এক দিন আগেই শেখ হাসিনা যাতে ভারতের মাটি ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রচার করতে না পারেন, সে বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে দেশটির সরকারের সহযোগিতা চেয়েছিল বাংলাদেশ। সংবাদ সম্মেলনের পরপরই শেখ হাসিনার গণমাধ্যমে কথা বলার পর সেই রাতেই কড়া ভাষায় একটি বিবৃতি দেয় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার শুরু থেকেই ভারতে থাকা শেখ হাসিনার বক্তব্য-বিবৃতি দেওয়াসহ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখা এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে দিল্লিকে অনুরোধ জানিয়ে আসছে। ভারতের পক্ষ থেকে বারবারই বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নে বাংলাদেশের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে তারা।
আগামী মাসে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
এছাড়া, তাকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্যও আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। তবে, সম্প্রতি শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এর পরই ঢাকায় কূটনৈতিক তৎপরতায় জোর দেয় নয়াদিল্লি।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই দেশের পক্ষ থেকেই সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা অনেক ক্ষেত্রেই দৃশ্যমান হয়ে উঠেছিল। বিশেষ করে বিএনপি সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লার উপস্থিতি এবং তার আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় এসেছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দিল্লি সফর করেন। সব মিলিয়ে দুই দেশের পক্ষ থেকেই আস্থা বৃদ্ধির চেষ্টা দেখা গেছে।
তবে এরই মধ্যে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন নাকি অন্য কোনো কারণে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে যখন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানান। অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রক্রিয়া হিসেবে নয়াদিল্লিকে দুটি শর্তও জুড়ে দেয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শর্তে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির হত্যার আসামিদের বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সফরের সিদ্ধান্ত নিতে বাংলাদেশ ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে বলেও জানানো হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এমন কঠোর অবস্থানের পর নড়েচড়ে বসে নয়াদিল্লি। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এমন শক্ত কথা শোনার জন্য তারা যেন অনেকটাই অপ্রস্তুত ছিলেন।
এমতাবস্থায় দেশটির সাবেক ও বর্তমান কূটনীতিক থেকে শুরু করে গণমাধ্যম যেন ভিরমি খেয়েছেন। তারা এখন উঠেপড়ে লেগেছেন যে করেই হোক তারেক রহমান যেন শিগগিরই ভারত সফরে যান। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী তো বলেই বসলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর শিগগিরই হওয়া উচিত।
গত ১৬ আগস্ট রাতে ঢাকার বারিধারায় আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান ও তার স্ত্রী কেট জারো খানের আয়োজিত এক নৈশভোজে বক্তব্য দিতে গিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব।
ত্রিবেদী বলেন, ‘আমাদের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আর যদি কোনো চ্যালেঞ্জ না থাকে, সেটি গণতন্ত্র নয়। গণতন্ত্র যতই বিশৃঙ্খল মনে হোক না কেন, সেটির মধ্যেই আলোচনা ও সমাধানের পথ রয়েছে।’
এ সময় তিনি বলেন, তার প্রধান লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের একটি ‘সোনালি সময়’তৈরি করা। এজন্য দুই দেশকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দীনেশ ত্রিবেদীর এমন মন্তব্যের দুই দিন পর ভারতের আরেক কূটনীতিক ও বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রি `তারেক রহমানের ভারত সফরের জন্য হাতে সময় খুবই কম’ বলে মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়টি যুক্ত করায় বাংলাদেশের সমালোচনাও করেন বীণা সিক্রি। তিনি ঢাকার এমন অবস্থানকে ‘রূঢ়’ও ‘অহংকারী’আখ্যা দিয়ে বলেন, এ ধরনের বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তার দাবি, প্রত্যর্পণ একটি আইনি প্রক্রিয়া। এর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সফরকে যুক্ত করা অপ্রয়োজনীয় ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত। একই সঙ্গে তারেক রহমানের ভারত সফরের জন্য হাতে সময় খুবই সীমিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। গত মঙ্গলবার ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বীণা সিক্রি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের সঙ্গে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি যুক্ত করার চেষ্টা করছে— এটা খুবই বিস্ময়কর। সোমবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে বিবৃতি বা ফেসবুক পোস্ট দিয়েছে, সেটি খুবই রূঢ় ও অহংকারী। এমন পরিস্থিতি তৈরি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
সিক্রি আরো বলেন, ‘এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করা সত্যিই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে বাংলাদেশের সরকার যে গুরুত্ব দিচ্ছে না, এতে সেই মনোভাবই প্রকাশ পায়।’
তবে ভারতের গণমাধ্যম ও কূটনীতিকরা যা-ই বলুক না কেন, সরকারের এমন অবস্থানকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন বাংলাদেশের বিশিষ্টজনরা। তারা সরকারের এমন দৃঢ়চেতা অবস্থানের প্রশংসা করছেন।
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক প্রেস মিনিস্টার সাংবাদিক আকবর হোসেন বলেন, ‘ভারত সরকার এমন আচরণ করছে, মনে হচ্ছে তারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফর করিয়েই ছাড়বে। অর্থাৎ ভারত থেকে যেসব কথাবার্তা আমরা শুনছি অথবা মিডিয়ায় দেখছি সেগুলো দেখলে ব্যাপারটা এ রকমই মনে হয়।’তিনি দীনেশ ত্রিবেদীর কথা উল্লেখ করে বলেন, “বাংলাদেশ কি কখনো বলছে যে তারেক রহমান সফরে যাবেন না? পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে যে এখন যাওয়ার জন্য সেই রকম অনুকূল পরিবেশ নেই। অনুকূল পরিবেশ তেরি হলেই তিনি যাবেন। কিন্তু ভারত যে ব্যবহারটা করছে যে এখনই হতে হবে, এ মাসের মধ্যেই হতে হবে- এই ব্যাপারটা কেন? এটা তো একটা সন্দেহের উদ্রেক করে বটে। এটা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে, এ নিয়ে ভারতের এত তাড়া কিসের?‘
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ব্যাপারটা অলওয়েজ দেনা-পাওনার বিষয়। প্রতিবেশীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সম্পর্ক ঠিক তা-ই হয়। ভারত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ইনভাইট করেছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যদি মনে করেন তিনি যাবেন। কারণ এখানে যদি বাংলাদেশ মনে করে সেখানে যাওয়াটা বাংলাদেশের ইন্টারেস্ট জড়িত, উনি সেখানে অবশ্যই যাবেন। অন্যদিকে বাংলাদেশও যখন অন্য কোনো দেশের সরকারকে ইনভাইট করে তারা যদি ইন্টারেস্ট মনে করে তাহলে তারা আসবে অথবা আসবে না। তাহলে যেখানে ইন্টারেস্টটা বাংলাদেশেরই হওয়ার কথা বা উচিত।
অথচ ভারত সেখানে অতি আগ্রহ দেখাচ্ছে। প্রশ্নটা এখানেই, যেদিন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিফ করলেন যে ভারতে যাওয়ার মতো অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলেই প্রধানমন্ত্রী যাবেন। কিন্তু ভারতীয় মিডিয়া এখানে ব্যাপারটাকে এমনভাবে প্রেজেন্ট করছে যেন মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। ভারতীয় মিডিয়া এখানে একটা সিলি গেম খেলছে। ভারতীয় মিডিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে ‘ক্যারট অ্যান্ড স্টিক পলিসি’ অর্থাৎ কিছুটা সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হবে, লোভ দেখানো হবে আবার ভয়ও দেখানো হবে। এতেই বোঝা যায় তাদের যে ক্ষোভ উগরে পড়ছে সেটা পরিষ্কার।”
যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাংবাদিক কাফি কামাল তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিষয়টি অত্যন্ত জটিল ও কুটিল। একটি ভুল চাল বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎকে আবারও অন্ধকারের গভীর গহ্বরে ঠেলে দিতে পারে। আশা করি, প্রধানমন্ত্রী দল বা সরকারের কোনো ইনার গ্রুপের মতলবি ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা দেবেন না, কিংবা দেশীয় বা ভিনদেশি কোনো বিশেষ শক্তির চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না। বাংলাদেশের স্বার্থ ও ভবিষ্যৎকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ভারত সফরের এই ইস্যুতে তিনি প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতার পরিচয় দেবেন।’
অপরদিকে ইংরেজি দৈনিক ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম তার এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘ইহারা পাগল হয়ে গেছে। ভারতের উপর বাংলাদেশ যদি নির্ভরতা সম্পূর্ণ কাটিয়ে উঠতে পারে তাহলে ওদের বহু রাজ্যের অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে ধ্বস নামবে। কলকাতা ইতিমধ্যে শুকিয়ে গেছে। তাতেই এরা তড়পাচ্ছে। ওদের দাদাগিরি বাংলাদেশে যে আর চলবে না এটা বুঝতে পেরেই তারা আবোলতাবোল বকতে শুরু করেছে।’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









