একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও সার্টিফিকেট তোলার সব ধরনের দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা শেষ, বাকি ছিল শুধু কয়েকটি স্বাক্ষর। ঠিক তখনই জানা গেল—বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে তার ৩ টাকা বকেয়া রয়েছে। আর সেই তিন টাকার কারণেই থেমে যায় পুরো ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়া।
এমন ঘটনাই ঘটেছে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশন শেষে সব ধরনের দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ক্লিয়ারেন্স ফরমে স্বাক্ষর সংগ্রহ করছিলেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে গিয়ে জানতে পারেন তার নামে ৩ টাকা জরিমানা বকেয়া রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে আরও জানা যায়, ২০২২ সালে লাইব্রেরি থেকে নেওয়া একটি বই নির্ধারিত সময়ের তিন দিন পরে জমা দেন ঐ শিক্ষার্থী। সেই বিলম্বের জরিমানাই ছিল মাত্র ৩ টাকা—যা পরিশোধ না হওয়ায় ট্রান্সক্রিপ্টের ক্লিয়ারেন্স আটকে যায়।
মজার বিষয় হলো, এই তিন টাকা তাকে সরাসরি লাইব্রেরিতে নয়; বরং নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংকে গিয়ে জমা দিতে হয়। পরে ব্যাংকে ৩ টাকা জমা দেওয়ার রশিদ গ্রন্থাগারে জমা দেওয়ার পরই মেলে কাঙ্ক্ষিত স্বাক্ষর।
ভুক্তভোগী ঐ শিক্ষার্থী বলেন, “মাত্র ৩ টাকা জমা দিতে ব্যাংকে যেতে হয়েছে। বিষয়টি আমার জন্য বেশ বিব্রতকর ও অদ্ভুত অভিজ্ঞতা ছিল।”
তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি, হিসাবের স্বচ্ছতা ও নির্ধারিত আর্থিক প্রটোকল অনুসরণ করেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে; নিয়মের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন