বরগুনার আমতলী উপজেলায় আপন খালুর বিরুদ্ধে অষ্টম শ্রেণির এক এতিম মাদরাসা শিক্ষার্থীকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রবিবার (২৪ মে) সকালে শিক্ষার্থীর নানী বাদী হয়ে আমতলী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।
মামলার পর ধর্ষক আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। মেয়েটিকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ধর্ষক আলমগীর হোসেন (৪০) পেশায় একজন রাজমিস্ত্রীর সহকারী। সে কুকুয়া ইউনিয়নের রায়বালা গ্রামের নূর হোসেনের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৮ মে) সকালে মেয়েটির নানা-নানী মাঠে কাজ করতে যায়। এই সুযোগে আলমগীর তাকে ঘরে একা পেয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে হাত পা মুখ বেঁধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে নানী আসার পর সে তাকে জানায়। তখন বিষয়টি লোকলজ্জার ভয়ে ধামাচাপা দেওয়া হয়। তবে শনিবার (২৩ মে) বিকেলে মেয়েটিকে আবারো ধর্ষণের চেষ্টা করলে নানা-নানী পুলিশকে খবর দেয়। আমতলী থানা পুলিশ রাতেই আলমগীর হোসেনকে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।
খালুর লালসার শিকার শিক্ষার্থী কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, “দুই বছর বয়সে মা মারা যায়। এরপর থেকেই আমি নানার বাড়িতে থেকে মাদরাসায় পড়াশোনা করছি। খালু বেড়াতে এসে আমাকে হত্যা ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে। বিষয়টি নানীকে জানালে, প্রথমবার তারা তাকে মাফ করে দেয়। পরের আবার ধর্ষণের চেষ্টা করলে নানা-নানী পুলিশকে জানায় এবং মামলা করে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।”
মেয়েটির নানী জানান, জামাই আমার নাতনীকে ধর্ষণ করেছে। আমি মামলা করেছি। এই ঘটনার ন্যায্য বিচার চাই।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহাদৎ হাসনাইন পারভেজ জানান, ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার আলমগীর হোসেনকে আদালতে মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









