ফরিদপুর সদরে মা-মেয়েসহ তিনজনকে কোদাল দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় রিয়াজুল ইসলাম (৩৮) নামে এক প্রতিবেশী আহত হয়েছেন। এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে ফরিদপুর সদরের আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তি একই এলাকার হারুন মোল্লার ছেলে আকাশ মোল্লা (৪০)। তিনি ফরিদপুর যক্ষা হাসপাতালে পিয়ন পদে কর্মরত ছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের শিকার তিন ব্যক্তি হলেন- অভিযুক্তের দাদি আমেনা বেগম (৭৫), ফুপু সালেহা বেগম (৫৫) ও প্রতিবেশী কাবুল চৌধুরী (৪৯)।
আলিয়াবাদ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. রাজ্জাক শেখ জানান, রাত দশটার দিকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আকাশ তার দাদি ও ফুপুকে হত্যা করে। এ সময় মারধর ঠেকাতে এলে প্রতিবেশী কাবুল চৌধুরীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।
তিনি আরও জানান, আকাশ মানসিকভাবে অস্থির প্রকৃতির ছেলে ছিল। এজন্য তাকে বিয়েও দেওয়া হয়নি। তার এক বড় আত্মীয় তাকে স্বাস্থ্য বিভাগের চাকরিটি দিয়ে দিয়েছিল। যখন তার মাথা নষ্ট হতো সে অফিসেও যেতো না। আবার যখন ভালো থাকত, সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের মতই আচরণ করত।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শুনে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। এ হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আকাশ পলাতক রয়েছে। আমরা তাকে আটক করার জন্য মাঠে একাধিক টিম কাজ করছি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









