তানজিদ হাসান তামিম, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং মিডল অর্ডার ব্যাটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের দারুণ তিনটি অর্ধশতকে ভর করে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুরের স্পিন সহায়ক উইকেটে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান সংগ্রহ করেছে লাল-সবুজের দল। ম্যাচটি জিততে হলে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে করতে হবে ২৮৫ রান।
প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটা স্মরণীয় করে রাখলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দলের বিপদের মুহূর্তে ব্যাট করতে নেমে ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস খেলেছেন তিনি। টাইগার অলরাউন্ডারের ব্যাটে চড়ে লড়াকু স্কোর তুলেছে বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে-ই বাংলায় ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই আউট হয়ে গিয়েছিলেন ওপেনার সাইফ হাসান। এরপর অবশ্য আরেক ওপেনার তানজিদ তামিমকে নিয়ে দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। দুজনে মিলে দ্বিতীয় উইকেটে ৯১ বলে ৯৬ রানের জুটি গড়েন। এরপর তামিম বিদায় নেন ৫৪ রান করে। তখনো ক্রিজে ছিলেন শান্ত।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ প্রথম ওভার থেকে স্কোরবোর্ডে জমা করে ৫ রান। যেখানে তানজিদ তামিমের ছিল ৪ রান। পরের ওভারে সাইফ হাসান স্ট্রাইকে নিয়ে চার মেরে শুরু করেন। কিন্তু পরের বলেই স্লিপে ক্যাচ তুলে ফেরেন ব্যক্তিগত ৫ রান।
এরপর উইকেটে এসে প্রথম বলে চার মারেন নাজমুল হোসেন শান্তও। পাঁচ ওভার শেষে নাজমুল শান্ত আউট হতে পারতেন তবে লাবুশেন স্লিপে ক্যাচ ছেড়ে দেয়ায় জীবন পান তিনি। এরপর সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তামিম ও শান্ত নিজেদের ধরছেন। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ স্কোরবোর্ডে যোগ করে ৬২ রান।
এরপর উইকেটে এসে প্রথম বলে চার মারেন নাজমুল হোসেন শান্তও। পাঁচ ওভার শেষে নাজমুল শান্ত আউট হতে পারতেন তবে লাবুশেন স্লিপে ক্যাচ ছেড়ে দেয়ায় জীবন পান তিনি। এরপর সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তামিম ও শান্ত নিজেদের ধরছেন। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ স্কোরবোর্ডে যোগ করে ৬২ রান।
এরপর খোলস থেকে আস্তে আস্তে বেরুতে থাকেন তামিম-শান্ত। এ দুজন ৯৬ রানের জুটি গড়ার পর দলীয় ১০৬ রানে তানজিদ তামিম বিদায় নিলে ভাঙে জুটি। অবশ্য এর আগে ক্যারিয়ারের ৭ম ওয়ানডে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। চলতি বছরে খেলা ৭ ওয়ানডেতে তামিমের এটি চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি, এর মধ্যে একটিতে করেছেন সেঞ্চুরিও। সাইফের মতো তার উইকেটও তুলে নিয়েছেন নাথান এলিস। তামিমের ইনিংস সাজানো ছিল ৭ চার ও ১ ছক্কায়।
তামিমের বিদায়ের ১৯ রান পর দলীয় ১২৫ রানে বিদায় নেন লিটন দাস। দলীয় ১৪০ রানে বিদায় নেন নাজমুল শান্ত। তার আগে ক্যারিয়ারের ১২তম ওয়ানডে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। তিনি ৬৮৬ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় ৬৭ রান করেন।
এরপর হৃদয় এসে জুটি বাঁধেন মোসাদ্দেকের সঙ্গে। দলীয় ২১৫ রানে হৃদয় বিদায় হন বার্টলেটের শিকার হয়ে। তিনি করেন ৩১ রান। চার রান যোগ করতেই বিদায় নেন অধিনায়ক মেহেদী মিরাজ। এরপর তানভির ইসলাম আউট হন দলীয় ২৩৯ রানে।
অষ্টম উইকেট জুটিতে মোসাদ্দেক ও তাসকিন মিলে গড়েন ৪৫ রানে জুটি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৮৪ রান। এরমধ্যে মোসাদ্দেক ৪ বছর পর জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ পেয়েই তা কাজে লাগিয়ে তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৪র্থ অর্ধশত। শেষ পর্যন্ত তিনি অপরাজিত থাকেন ৮৬ রানে। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৩ ছক্কা ও ৭ চারে।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে নাথান এলিস ৩টি, ম্যাট রেনশ ২টি ও বার্টলেট, স্কট প্রত্যেকে একটি করে উইকেট লাভ করেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









