রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নির্বাচিত সিনেট সদস্য ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আকিব বিন তালেবের (আকিল) প্রতিবন্ধী সনদে তথ্যের অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনলাইন তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে তাঁর আবেদনপত্রের গরমিল পাওয়ায় তাঁকে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা প্রশাসনের নোটিশ অনুযায়ী সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় প্রয়োজনীয় প্রমাণাদিসহ সশরীরে উপস্থিত হয়ে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করেন তিনি।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা সংক্রান্ত উপজেলা কমিটি’র সভাপতি ইমরান-মাহমুদ-ডালিম স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক নোটিশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
নোটিশে বলা হয়, আকিল বিন তালেবের প্রতিবন্ধি সনদ প্রাপ্তির আবেদন ফরম ও সমাজকল্যান মন্ত্রনালয়ের ‘ডিজেবিলিটি ইনফরমেশন সিস্টেম’ (ডিআইএস)-এর অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষিত তথ্যের সঙ্গে গড়মিল পাওয়া গেছে।
এই পরিপ্রেক্ষিতে উপযুক্ত আজ সোমবার উপজেলা প্রশাসন তাকে প্রমানসহ তলব করে এবং তার মতামত উপস্থাপনের আহ্বান করে।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে তিনি তার কাগজপত্র উপস্থাপন করেন এবং তার মতামত দেন।
তবে তথ্যে গরমিলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আকিব বিন তালেব। তিনি বলেন, 'আমার দেওয়া তথ্যে কোনো গরমিল নেই। আমার শারীরিক প্রতিবন্ধকতার বিষয়টিকে মিথ্যা দাবি করে স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী অভিযোগ তুলেছেন। কোনো প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই কেবল সেই দাবির ওপর ভিত্তি করে আমাকে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।'
এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান-মাহমুদ-ডালিম বলেন, 'বিষয়টির তদন্ত চলমান থাকায় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়। আমরা তদন্ত শেষ করে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারব।'
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আব্দুল আলিম বলেন, এটি এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র অভিযোগ, প্রমানিত হয়নি। উপজেলা প্রশাসনের তদন্ত সম্পন্ন হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আসনের জন্য হাজারো শিক্ষার্থীকে কঠোর প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হয়। সেখানে অসত্য তথ্যের ভিত্তিতে 'প্রতিবন্ধী কোটা' ব্যবহার করলে সেটি খতিয়ে দেখা হবে।'


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









