রাঙামাটি সদর উপজেলার মানিকছড়ি এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই পাহাড় কেটে চলাচলের রাস্তা তৈরির অভিযোগে এনফোর্সমেন্ট মামলা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সরেজমিন পরিদর্শনে পাহাড় কাটার আলামত পাওয়ার পর এ মামলা করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর রাঙামাটি জেলা কার্যালয় সূত্র জানায়, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মানিকছড়ি এলাকার পাহাড়ে সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ফুট উচ্চতার একটি পাহাড়ের অংশ কেটে রাস্তা তৈরির আলামত পাওয়া যায়।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুমোদন ছাড়াই প্রায় ৫০ ফুট দৈর্ঘ্য, ৫ ফুট প্রস্থ ও ২ ফুট উচ্চতার অংশ কেটে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। এতে আনুমানিক ৫০০ ঘনফুট পাহাড় কাটা হয়েছে।
এ ঘটনায় মানিকছড়ির বাসিন্দা আবু বক্কর সিদ্দিক (৫০)-কে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাহাড় কাটার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে কোনো অনুমোদন বা ছাড়পত্র নেওয়া হয়নি। এতে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর সংশ্লিষ্ট বিধান লঙ্ঘনের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।
রাঙামাটি পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মুমিনুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। পাহাড় কাটার আলামত পাওয়ার পর ২৮ সেপ্টেম্বর এনফোর্সমেন্ট মামলা করে তা চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। মামলাটির শুনানি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে হওয়ার কথা রয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে প্রায় ৫০০ ঘনফুট পাহাড় কাটার বিষয়টি উল্লেখ করে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ৭ ধারার আলোকে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করে আদায় এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
তবে অভিযুক্ত আবু বক্কর সিদ্দিক মামলার বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, বসতঘরে ওঠার জন্য অন্তত দুই মাস আগে রাস্তাটি করা হয়েছে। মামলার বিষয়ে তিনি কোনো তথ্য জানেন না।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









