গণরায় বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষ কে শান্তিতে রাখতে হলে চাঁদাবাজ, দুর্ণীতিবাজ, দখলবাজদের তাড়াতে হবে। সকল জিনিসপত্রের দাম জনগণের ক্রয় সীমার মধ্যে আনতে দ্রব্যমুল্যে দাম কমাতে হবে। ও আইনশৃঙ্খলা অবনতিকারীদের দমন করা সহ জনগণের দাবি আদায়ে তাদের এই লং মার্র্চ। তাই সকল কে সাথে নিয়ে মানুষের কাঙ্খিত বাংলাদেশ গড়তে চাই।
১১-দলীয় ঐক্য জোটের ঢাকা- খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ কর্মসুচী চলাকালে শনিবার সকাল ১১টায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা গোলচত্তরে পথসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরা বলেন, তাদের এই লংমার্র্চ জনগণের দাবি আদায়ের জন্য তাই দাবি আদায় করতে জনগণ কে পাশে থাকায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে গাড়িবহরটি মাওয়া হয়ে মাদারীপুর-শরীয়তপুরের মাঝামাঝি নাওডোবা অতিক্রম করে ভাঙ্গার গোল চত্বর পার হওয়ার পর যাত্রা বিরতি ও সংক্ষিপ্ত পথসভা করেন। সংক্ষিপ্ত পথসভা শেষে রোড লংমার্চটি খুলনার উদ্দ্যেশ্যে রওনা হয়।
এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে খুলনা অভিমুখে লংমার্চ ও পথসভা কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আজ সকালে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ফটক থেকে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে লংমার্চের যাত্রা শুরু হয়।
গাড়িবহরটি ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে নাওডোবা অতিক্রম করে মাদারীপুর ও ভাঙা হয়ে খুলনা বিভাগের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যাত্রাপথে বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত পথসভায় বক্তব্য রাখছেন জোটের শীর্ষ নেতারা।
আয়োজকরা জানান, দিনব্যাপী যাত্রাপথে নাওডোবা, বাগেরহাটের কাটাখালী, খুলনার বাবরী চত্বর ও স্বাধীনতা চত্বরে ধারাবাহিক পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর লংমার্চের বহরটি যশোরের মুড়লি মোড় এবং ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পথসভায় মিলিত হবে।
বিভিন্ন জেলা অতিক্রম করে লংমার্চের শেষ পর্যায়ে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক সুবিশাল সমাপনী মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে এই লংমার্চ কর্মসূচি সমাপ্ত হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









