কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত মাকে বাঁচাতে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) স্নাতকে অধ্যয়নরত এক শিক্ষার্থী। মা-কে বাঁচাতে দিশেহারা হয়ে প্রাণ ভিক্ষা চাইলেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. রফিক (ছদ্মনাম) বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান-প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের কাছে মানবিক ও আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে অনুরোধ জানিয়েছেন। এনিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টা বরাবর আবেদনও করেছেন তিনি।
পরিবারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রফিকের মা মোছা. রোকেয়া খাতুন (৫১) পেশায় একজন গৃহিনী। তিনি সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের মহিষকুড় গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কিছুদিন আগে পেটে ব্যথা নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে সাতক্ষীরা আনোয়ারা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মুশফিকুর রহমানের অধীনে পেটের আল্ট্রাসোনোগ্রাফি, ইকোকার্ডিওগ্রাফি এবং সিটি স্ক্যান (CT Scan of Whole Abdomen) করানোর পর পেটে টিউমার ধরা পড়ে। চিকিৎসকের পরামর্শে দ্রুত অস্ত্রোপচার করে তাঁর পেটের টিউমারটি অপসারণ করা হয় এবং সাময়িকভাবে পেটে কৃত্রিম মলদ্বার (Ileostomy Bag) স্থাপন করা হয়।

পরবর্তীতে ডা. শাহরিয়ার মামুনের অধীনে টিউমারের বায়োপসি পরীক্ষা (HPR Report) করানোর পর কোলন ক্যান্সার (Ca Ascending Colon - Adenocarcinoma) শনাক্ত হয়। উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে তাঁকে অনতিবিলম্বে ঢাকা বা ভারতে নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। যেগুলোর ব্যয় বহন করা দিনমজুর বাবা কবির মোড়লের (৬০) সাধ্যের বাইরে। এমতাবস্থায় আর্থিক সংকটের কারণে রোগীর মূল চিকিৎসা না করায় অবস্থা আরও সংকটাপন্ন আকার ধারণ করেছে।
ইবি শিক্ষার্থী রফিক বলেন, “আমার মা আমাদের পুরো পরিবারের মূল ভরসা। সাতক্ষীরায় অপারেশনের পর যখন বায়োপসিতে ক্যান্সার ধরা পড়ল, তখন থেকেই আমাদের পুরো পরিবার ভেঙে পড়েছে। বাবা দিনমজুর, তাঁর একার পক্ষে বা আমাদের পরিবারের সাধ্যের মধ্যে এই দীর্ঘমেয়াদী ব্যয়বহুল ক্যানসার চিকিৎসা চালানো আর সম্ভব হচ্ছে না। কেমোথেরাপি ও পরবর্তী অপারেশনের খরচ জোগাতে না পারলে মাকে বাঁচানো কঠিন হয়ে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে সবার কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছি। আপনাদের সামান্য সহানুভূতি ও আর্থিক সহযোগিতাই হয়তো আমার মাকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারে। আপনাদের সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়ালে আমরা চিরকৃতজ্ঞ থাকব। দয়া করে সবাই আমার মায়ের জন্য দোয়া করবেন।”
ডোনেশন পাঠানোর মাধ্যম:
বিকাশ / নগদ / রকেট (Personal): 01998835108
Bank Account:
Dutch-Bangla Bank PLC
Account No.: 1801070028602
Branch: Satkhira
Agrani Bank PLC
Account No.: 0200023731511
Branch: Thana para, Kushtia


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









