জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে ও আত্মার মাগফিরাত কামনায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বাদ জুম’আ এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব আশরাফ উদ্দিন খান।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও সদ্য সাবেক কোষাধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম, আল কুরআন ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আ.ব.ম ছিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী, আল কুরআন ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নাছির উদ্দীন মিঝি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল বারী, ব্যবস্থাপনা বিভগের অধ্যাপক ড. মো. আলীনূর রহমান, ও আল-হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ও আইআইইআর-এর পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রদলের আহবায়ক মাসুদ রুমি মিথুন ও সদস্য সচিব রাফিজ আহমেদ এবং শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি, ইউসুব আলী ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফি সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ।
অনুষ্ঠান শেষে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, ফ্যাসিবাদ ব্যবস্থার মূল উচ্ছেদ করে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছিলাম যাদের রক্তের বিনিময়; তাদের জন্য আমরা আজকে একটি দোয়ার আয়োজন করেছি। যে সমস্ত ভাইদের রক্তের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি তাদের জন্য দোয়া করতে এই আয়োজনটা। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন যেন তাদের শাহাদাতকে কবুল করে নেন এবং তাদের এই রক্তের বিনিময়ে যে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি সেই বাংলাদেশ যেন আগামীতে আর কোন ফ্যাসিবাদের কবলে না পড়ে আমরা সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছি আর আমরা এমনিতেও দেখতে পাচ্ছি যে জুলাই আন্দোলনকে নিয়ে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন চক্র বিভিন্ন মহল বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে জুলাই আন্দোলনকে ভুলিয়ে দেয়ার জন্য জুলাই আন্দোলনকে ভিন্নভাবে প্রবাহিত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের চক্রান্ত চলে আসছে।
তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি একটা বড় ধরনের আন্তর্জাতিক চক্র, বিশেষ করে ইন্ডিয়ার চিন্তা-চেতনার ধারকরা; জুলাই আন্দোলনে যারা ভূমিকা রেখেছেন তাদেরকে বিভিন্নভাবে কোনঠাসা করার জন্য চেষ্টা করেছে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবেও এই জায়গাগুলোতে প্রশ্রয় দেয়া হয়েছ। যারা জুলাই আন্দোলনে যারা ভূমিকা রেখেছেন তাদেরকে বিভিন্নভাবে বাধা ও বিভিন্নভাবে তাদের পথরোধ করার জন্য চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আমরা আজকের এই দোয়া মাহফিল থেকে স্পষ্টভাবে আমরা বলতে চাই যে আমরা যেহেতু এই নতুন স্বাধীনতা নতুন বাংলাদেশ পেতে আমাদের অসংখ্য ভাইকে রক্ত দিতে হয়েছে অসংখ্য ভাইকে জীবন দিতে হয়েছে যেহেতু আমরা রক্তের বিনিময়ে একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি সুতরাং আমরা এই বাংলাদেশকে আর পথ হারাতে দিব না আমরা জুলাই আকাঙ্ক্ষা জুলাই চেতনাকে ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে যে ভূমিকা রাখা দরকার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবো। জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য আমাদের যা করা দরকার আমরা করবো। সহযোগিতা আমরা পাই বা না পাই আমাদের জায়গা থেকে আমরা এটা করে যাব ইনশাল্লাহ।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









