ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘জুলাই-৩৬ গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। প্রথমে শোভাযাত্রায় অংশ নিলেও আলোচনা সভায় অনুপস্থিতির প্রকৃত রহস্য নিয়ে ক্যাম্পাসে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। তবে সংগঠনটির দাবি— একই সময়ে নিজস্ব কর্মসূচি থাকায় উপস্থিত হননি।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যেগে গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শোভাযাত্রা শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে ইসলামী ছাত্রশিবির, জাতীয় ছাত্রশক্তি, খেলাফত ছাত্র মজলিস, জমিয়তে তালাবিয়া আরাবিয়া, ছাত্র ইউনিয়ন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সহ জুলাইয়ের পক্ষের ছাত্র সংগঠন, শিক্ষক সংগঠন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নিলেও আলোচনা সভায় অংশ নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
জানতে চাইলে সংগঠনটির সদস্য সচিব রাফিজ আহমেদ বলেন, “আমাদের নিজস্ব কর্মসূচি থাকায় উপস্থিত হতে পারিনি। অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।”
এবিষয়ে জানতে চাইলে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদ রুমি মিথুন বলেন, “আমরা অনুষ্ঠান বয়কট করি নাই। আমাদের আলাদা কর্মসূচি ছিল ৩৬-জুলাই উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৬টি বৃক্ষরোপণ করছি, তাই আলোচনা সভায় যায়নি।”
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস শহীদ মিয়ার সভাপতিত্বে ও অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী এবং রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল হক।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সংগঠন জিয়া পরিষদ, গ্রিন ফোরাম এবং ইউট্যাব–এর নেতৃবৃন্দ। ২০২৪ সালে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ইবির সমন্বয়ক এস এম সুইট। ছাত্র সংগঠন ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি, ছাত্র ইউনিয়ন, জমিয়তে তালাবিয়া ইসলামিয়া, খেলাফত ছাত্র মজলিস, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন–এর নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









