লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ শেষে অব্যয়িত ৩৮ লাখ ৪০ হাজার ৯১০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী আতিকুর রহমান সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুসরণ করে এ অর্থ ফেরতের উদ্যোগ নেন।
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পরিতোষ কুমার বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে উপজেলার ৬ নম্বর লামচর ইউনিয়নের দাসপাড়া-শ্যামগঞ্জ (করিমের) খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ শেষে ৩৮ লাখ ৪০ হাজার ৯১০ টাকা অব্যয়িত থাকে। সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুযায়ী ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সরকারি অর্থের সাশ্রয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ইউএনও। উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষে অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা তুলনামূলকভাবে বিরল। একই সঙ্গে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করায় ইউএনওর উদ্যোগের প্রশংসা করেন তারা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আতিকুর রহমান বলেন, ‘‘সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। প্রকল্পের কাজ যতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে, তা শতভাগ যাচাই-বাছাই শেষে অব্যয়িত যে অর্থ ছিল, সরকারি বিধি অনুযায়ী তা কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই আমাদের দায়িত্ব।’’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









