ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার কাজির শিমলায় সরকারি উদ্যোগে কৃত্রিম প্রজনন (এআই) ও প্রাণিসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এতে উপজেলার প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র গরুর খামারিরা সহজেই প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়ায় উপকৃত হচ্ছেন।
ত্রিশাল উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের অধীন কাজির শিমলা কৃত্রিম প্রজনন ও প্রাণিসেবা উপকেন্দ্র থেকে নিয়মিত এসব সেবা দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খামারিদের গরুর কৃত্রিম প্রজননসহ প্রয়োজনীয় প্রাণিসেবা দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, কৃত্রিম প্রজননে উন্নতমানের বীজ (সিমেন) ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে উন্নত জাতের বাছুর উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি গবাদিপশুর জাত উন্নয়নের মাধ্যমে খামারিদের উৎপাদন ও আয় বাড়ানোর সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় খামারিরা জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনায় হাতের কাছে কৃত্রিম প্রজনন ও প্রাণিসেবা পাওয়ায় তাদের সময় ও খরচ দুটোই কমছে। উন্নতমানের বীজ ব্যবহারের ফলে ভবিষ্যতে ভালো জাতের গবাদিপশু পালনের সুযোগও তৈরি হচ্ছে।
ত্রিশাল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাজনীন সুলতানা বলেন, “প্রান্তিক গরুর খামারিদের উন্নত জাতের গবাদিপশু পালনে উৎসাহিত করা এবং তাদের উৎপাদন ও আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগে কৃত্রিম প্রজনন ও প্রাণিসেবা কার্যক্রম চালু রয়েছে। খামারিরা যাতে সহজেই প্রয়োজনীয় সেবা পান, সে বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।”
তিনি আরও বলেন, উন্নত জাতের বাছুর উৎপাদন, গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং আধুনিক পদ্ধতিতে খামার পরিচালনায় খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, প্রাণিসম্পদ বিভাগের এ ধরনের সরকারি সেবা আরও বিস্তৃত করা গেলে ত্রিশালের প্রান্তিক খামারিদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি দুধ ও মাংস উৎপাদন বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









