গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ফের হামলার ঘটনায় দু’পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে কোটালীপাড়া ও গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার গোপালপুর গ্রামে বড় ব্রিজের নিচে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত যারা কোটালীপাড়া হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তারা হলেন- গোপালপুর গ্রামের নজরুল শিকদার (৫০), নাফিস শিকদার (২২), ইয়াছিন শিকদার (২৪), রয়েল শিকদার (২১), আকবর শিকদার (৪২)ও বাদল শিকদার (৪৭)।
অপর পক্ষের মুজাফফর শিকদার, পলাশ শিকদার,শহিদুল শিকদার, আলামিন শিকদার ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক লাভলু শিকদার গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।
এদের মধ্যে শহিদুল শিকদারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল থেকে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
অপরদিকে কোটালীপাড়ায় যারা ভর্তি হয়েছিলেন তাদের মধ্যে নজরুল, নাফিস, ইয়াছিন ও রয়েলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এদের মধ্যে অনেক প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
কোটালীপাড়া হাসপাতালে আহত নজরুল শিকদারের অভিযোগ দুইদিন আগে পলাশ শিকদারের সাথে মাহামুদ শিকদারের কথাকাটাকাটি ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের ঘটনা ঘটে। এনিয়ে প্রতিবাদ করায় তাদের হামলায় আমাদের তিনজন আহত হন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ সকালে ফের দু’পক্ষের মধ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে দু’পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়। তবে এ হামলার ঘটনায় একপক্ষ অপর পক্ষকে হামলার জন্য দায়ী করে বক্তব্য দিয়েছেন।
বাদল শিকদারের বোন ছাবিকুননাহার বলেন, পলাশ শিকদাররা বৃহস্পতিবার সকালে হামলা চালিয়ে আমাদের পাঁচজনকে গুরুতর আহত করেছে। অন্যদিকে পলাশ শিকদারের দাবি নজরুল শিকদাররা আমাদের উপর হামলা চালিয়ে পাঁচজনকে গুরুতর আহত করা হয়েছে।
কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. এমডি নাঈম হোসেন বলেন, আমরা রোগীদের জখমের স্হানে সেলাই করে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা দিয়ে রক্তক্ষরণ আছে কি না সেটার জন্য সিটিস্ক্যান করতে গোপালগঞ্জে রেফার করা হয়েছে।
কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) মো. রিয়াদ মাহমুদ বলেন, একপক্ষের একটা অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









