The Daily Adin Logo
প্রান্তলোক
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬

আপডেট: মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬

ঝিনাইদহের ৪টি আসনের এমপি প্রার্থীদের রাজনৈতিক প্রোফাইল

ঝিনাইদহের ৪টি আসনের এমপি প্রার্থীদের রাজনৈতিক প্রোফাইল

ছবি: আসাদুজ্জামান, এম এ মজিদ, আবু তোয়াব অপু, মেহেদী হাসান রনি ও রাশেদ খাঁন

ঝিনাইদহ-১
বিএনপি মনোনীত আসাদুজ্জামান
১৯৯১'র ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) থেকে একটানা ১০ বছর দলটির তৎকালীন নেতা আব্দুল ওহাব বিজয়ী হলেও পরবর্তীতে আর এ আসন ফিরে পায়নি। এবারের নির্বাচনে মনোনয়ন পেয়েছেন সদ্য সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানকে। বিএনপিতে যোগদানের পূর্বে জাসদ(ইনু) রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তার ছাত্রজীবনে জাসদ সমর্থিত ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনৈতিক হাতেখড়ি। অ্যাড. আসাদুজ্জামান দলের মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। 'দেশের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তার পদ ছেড়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে থাকা ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করার ইচ্ছায় নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন' উল্লেখিত রাজনৈতিক বক্তৃতা বিভিন্ন সভা-সেমিনারে বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান দিয়েছেন, যা গণমাধ্যমেও এসেছে। সাধারণ ভোটারদের কাছে জানা যায়, বিএনপির থেকে নির্বাচিত প্রাক্তন সাংসদ আব্দুল ওহাবের পরে আর কোন সংসদ সদস্যের পক্ষে শৈলকুপায় উন্নয়নের উল্লেখযোগ্য ছোঁয়া লাগেনি।
  
জামায়াত মনোনীত আবু ছালেহ মতিউর রহমান
জামায়াতের প্রার্থী হয়েছেন আবু ছালেহ মো. মতিউর রহমান। শৈলকুপা উপজেলার আমির মতিউর রহমান। তাদের দলীয়ভাবে থেকে নির্বাচনী কর্মকাণ্ড চলছে। এ প্রার্থী নিজেও নির্বাচনী এলাকায় কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন। তিনি দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা নিয়ে নির্বাচন করবেন জানিয়ে বলেন, 'নির্বাচিত হলে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন।'

বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের প্রার্থী সাহিদুল এনাম পল্লব মিয়া
ব্যতিক্রমী ও বিকল্প দাবি করে আধুনিক শৈলকুপা গড়ার প্রতিশ্রুতিতে এবার রাজনৈতিক জোট- গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট মনোনীত বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ নেতা সাহিদুল এনাম পল্লব ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। ঝিনাইদহ ১ (শৈলকুপা) আসনে বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ সমর্থিত(নিজ দল অনিবন্ধিত) হলেও নিবন্ধন বাধ্যবাধকতায় বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ (মার্কসবাদী) কর্তৃক কাঁচি প্রতীকে মনোনীত মোঃ সাহিদুল এনাম পল্লব মিয়া সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি জানিয়েছেন, শৈলকুপা পেঁয়াজ চাষীদের জন্য একটি অত্যাধুনিক পিয়াজ সংরক্ষণাগার তৈরি করবেন। জিকে সেচ প্রকল্প চালুর ব্যাপারে আশু পদক্ষেপ গ্রহণসহ তিনি আরো বলেন, যদি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন পাস এর ব্যাপারে সংসদের জোরদার ভূমিকা পালন করবেন। যার মাধ্যম দিয়ে গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতা অর্জন হবে।' 

এছাড়াও ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়েছেন জাতীয় পার্টির মনিকা আলম, এবি পার্টির অ্যাড. মো. মতিয়ার রহমান ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. আসাদুজ্জামান। নির্বাচনকে ঘির  তাদেরও তৎপর কমবেশি দেখা যাচ্ছে। এ আসন থেকে বৈধ প্রার্থী হয়েছেন মোট ছয়জন।


ঝিনাইদহ-২ (সদর ও হরিণাকুণ্ডু)
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ মজিদ
১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত মশিউর রহমান এখানে সংসদ সদস্য ছিলেন। পরে আসনটিতে বিএনপি জয়লাভ করেনি। আসনটিতে এবার জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ দলীয় মনোনয়নে প্রার্থী হয়েছেন। আসনে ৫ আগস্টের পর গণ অধিকার পরিষদের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁনকে রাজনৈতিক কার্যক্রমে সহযোগিতার নির্দেশ দিয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপি থেকে স্থানীয় বিএনপিকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। ইতোমধ্যে রাশেদ খাঁন বিএনপিতে যোগদান ও  ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ-সদর আংশিক) আসনে দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। বিএনপির জেলা সভাপতি এম এ মজিদ বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্ব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বিজয়ের জন্য নেতা–কর্মীরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। আধুনিক ঝিনাইদহের উন্নয়নের রুপকার সাবেক এমপি মসিউর রহমানের পরে নির্বাচিত এমপির আমলে দৃশ্যমান উন্নয়ন ঘটেনি বলে দাবি সাধারণ মহলের।

জামায়াত মনোনীত আলী আযম
এ আসনে জেলা আমির অধ্যাপক আলী আযম মো. আবু বক্করকে প্রার্থী করেছে জামায়াত।  জামায়াত নেতা আলী আযম মো. আবু বক্কর বলেন, দল তাঁকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। জয়ের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী।

সিপিবি মনোনীত প্রার্থী আবু তোয়াব অপু 
ঝিনাইদহে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারি প্রার্থীরা অনেকটাই গতানুগতিক নির্বাচনী অঙ্গীকার ব্যক্ত করলেও বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির (সিপিবি) কাস্তে মার্কার
প্রার্থী আবু তোয়াব অপু ভিন্নরকম অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি কৃষিকে আধুনিক, টেকসই ও লাভজনক করার পাশাপশি নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদী, খাল-বিল, বাঁওড়সহ অন্যান্য জলাশয়কে দখলমুক্ত ও ইজারাপ্রথা বাতিল করে সামাজিক মালিকানার পাশাপাশি সেগুলো পুনরায় খনন এবং বিল-বাঁওড়ের বরাদ্দ কতিপয় কথিত মৎস্যজীবিদের বদলে প্রকৃত জেলে সম্প্রদায়ের কাছে হস্তান্তরের কথা বলেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ ও ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আবু তোয়াব অপু বলেছেন, ঝিনাইদহের পান ও কলাকে সরকার ব্র্যান্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও ওই মূল্যবান কৃষিপণ্যের ওপর থেকে সম্পপূর্ণরুপে রপ্তানি কর প্রত্যাহার না করায় রপ্তানিমূল্য বেড়ে যায়। ফলে রপ্তানি কর্মকান্ড ব্যাহত হয়। তিনি কৃষি ও কৃষকের স্বার্থে, তথা দেশের স্বার্থে ওই রপ্তানি কর রেয়াৎ চেয়েছেন। কৃষিনির্ভর দেশের কৃষিকে আধুনিকায়ন এবং ঝিনাইদহের অগ্নিকন্যা নাচোল বিদ্রোহের নেত্রীর নামে কমরেড কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে সেখানে লেখাপড়ার পাশাপাশি কৃষি বিষয়ক গবেষণা চালানোর পক্ষে জোর দিয়ে কথা বলেছেন। তিনি কৃষিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠার ওপরও গুরুত্ব দিয়ে বলেন, কৃষির গুণগত ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন হলেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব। এতে ব্যাপক জনমানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা বিপ্লবী বাঘা যতীনের নামে তিনি একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে এলাকার মানুষের জন্য আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার কথাও বলেছেন। এসব দাবিতে সিপিবি ঝিনাইদহ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন আবু তোয়াব অপু বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার আন্দোলনে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি সক্রিয়, তার প্রয়াত পিতা একজন মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ ৮ বছর ছাত্র বেতন-ফিবিরোধী আন্দোলনের ফলে কোনরূপ বেতনাদি বর্ধিত হয়নি, ছাত্রনেতা থাকাকালে এমনটা বক্তব্য উল্লেখ করেন আবু তোয়াব অপু।

বাসদ মনোনীত অ্যাড. আসাদুল ইসলাম 
'সংসদ আজ কোটিপতিদের ক্লাবে পরিণত হয়েছে, অথচ সাধারণ মানুষের জীবনে মৌলিক কোনো পরিবর্তন আসেনি। এই অবস্থান থেকেই সংসদ হোক গণমানুষের অধিকার আদায়ের প্রতিষ্ঠান’এই আহ্বানে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদ এর মনোনয়ন নিয়ে ঝিনাইদহ- ২ আসনে মই প্রতীক নিয়ে অ্যাড. আসাদুল ইসলাম আসাদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। তিনি দীর্ঘদিন বাসদের জেলা আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।

ঝিনাইদহ-২ (সদর-হরিণাকুণ্ডু) আসনে সবমিলিয়ে বৈধ প্রার্থী ছয়জন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে এইচএম মোমতাজুর রহমান অংশ নিয়েছেন। জাতীয় পার্টির সাওগাতুল ইসলাম

ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর)
বিএনপি মনোনীত মেহেদী হাসান রনি
মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসানকে রনি দলীয় মনোনয়নে প্রার্থী হয়েছেন। তার পিতা প্রয়াত শহিদুল ইসলাম এ আসনে ১৯৯১ সাল থেকে টানা তিন মেয়াদে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি সাংসদ হিসেবে এলাকার উন্নয়ন প্রভূত কাজ করেছেন বলে জনসাধারণের কাছে তার পরিবারের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে এমন কথা বলেছেন অনেক সাধারণ ভোটার। বিএনপির প্রার্থী মেহেদী হাসান রনি বলেন, নির্বাচনী এলাকায় দিনরাত মাঠে-ঘাটে কাজ করছেন। তবে জামায়াত একটু আগে মাঠে নেমেছে। তিনি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। 
 
জামায়াত মনোনীত মো. মতিয়ার রহমান
জামায়াতের নেতারা বলছেন, এখানে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। দলের কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য মো. মতিয়ার রহমানকে মনোনয়ন দিয়েছে জামায়াত। তিনি বলেন, দুর্নীতিমুক্ত, সামাজিক সন্ত্রাসমুক্ত,  মাদকমুক্ত ও কল্যাণমূলক সমাজ গঠনের ওয়াদা করছি।

ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) আসনে বৈধ প্রার্থী পাঁচজন। অন্যান্য প্রার্থী  মাও. সারোয়ার হোসেন মনোনয়ন পেয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ থেকে মো. সুমন কবির ও মুজাহিদুল ইসলাম আমার বাংলাদেশ পার্টির মুজাহিদুল ইসলাম।


ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদরের একাংশ)
ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খাঁন 
বিএনপির এ আসনে ১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এমপি ছিলেন প্রয়াত এম শহীদুজ্জামান। এখানে গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁনকে প্রথমে জোট থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরে রাশেদ খাঁন বিএনপিতে যোগদানের মধ্য দিয়ে প্রার্থী হিসাবে দলীয়ভাবে মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়েছে।

 সাইফুল ইসলাম ফিরোজ
'১৭ বছর দলের জন্য কাজ করেছি। এ আসনে বিএনপির তিনজন মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন, তাঁদের কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। যাঁকে দেওয়া হয়েছে, তিনি এলাকার নন, সাধারণ মানুষ তাঁর সঙ্গে নেই। এ কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি। তাই জয়ের ব্যাপারেও আমি শতভাগ আশাবাদী।' এমন কথা এই প্রতিবেদনকে জানিয়েছেন,  বিএনপির বিদ্রোহী এ স্বতন্ত্র এ প্রার্থী জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় জৈষ্ঠ্য যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নেতা ছিলেন।

জামাত মনোনীত আবু তালেব
এ আসনে কালীগঞ্জ উপজেলার নায়েবে আমির মাওলানা আবু তালেবকে মনোনয়ন দিয়েছে জামায়াত। আবু তালেব বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন। 

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ-সদর আংশিক) আসনে বৈধ প্রার্থী সাত জন। এমদাদুল ইসলাম বাচ্চু (জাতীয়পার্টি), ওবায়দুল হক রাসেল (স্বতন্ত্র), মীর আমিনুল ইসলাম (স্বতন্ত্র) ছাড়াও এখানে ইসলামী আন্দোলনের আবদুল জলিল, গণফোরামের কনিকা খানম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

ঝিনাইদহ চারটি আসনে মোট ২৭ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। এখন চারটি আসনে প্রার্থী ২৩ জন।
অনেক জল্পনা-কল্পনা শেষে ঝিনাইদহের চারটি সংসদীয় আসনে একসময়ের হারানো শক্তিশালী ঘাঁটি অঞ্চল পুনরুদ্ধারে বিএনপির মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়েছে বলে দলটির সূত্রে জানা যায়। ঝিনাইদহ-৪ আসনে পাশের আসনের বাসিন্দা গণ অধিকার পরিষদের সদ্য সাবেক নেতা রাশেদ খাঁনকে মনোনয়ন দেওয়ায় মনোনয়ন বঞ্চিত স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম (ফিরোজ) স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

অন্যদিকে আগেভাগে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত, ঝিনাইদহের সবগুলো আসনে জয়লাভের দাবি করেছেন জামায়াত নেতারা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রতিটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে তাদের প্রার্থী নূর আলম বিশ্বাস যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পড়েছেন। গণ অধিকার পরিষদ ঝিনাইদহ-৩ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। এ ছাড়া আমার বাংলাদেশ (এবি) দুটি পার্টি আসনে ও  তিনটি আসনে মনোনয়ন দিলেও জাতীয় পার্টির (জাপা) তৎপরতা নেই। 

স্বাধীনতার পরে বিভিন্ন আসনে বামপন্থী প্রার্থীরা জনপ্রতিনিধি ও সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিল। ঝিনাইদহ ছিল একদা বামপন্থীদের দূর্গ অঞ্চল হিসাবে পরিচিত ও ইতিহাসে অতীত হলেও বামপন্থী-কমিউনিস্ট প্রার্থীরা জোরদার প্রচার-প্রকাশনা ও ভোটের লড়াইয়ের কর্মকাণ্ডে বৈচিত্র্যময়, ব্যতিক্রম ও গণমুখী দাবি তুলে ব্যস্ত সময় করছেন বলে জানিয়েছেন বামদলগুলোর নেতাকর্মীরা। তাই ভোটের হিসাব-নিকাশে বামদলসমূহ গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হতে পারে বলে সচেতন মহল ধারণা করছেন। 

সব দল-মতের প্রার্থীদের অংশগ্রহণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হোক এ প্রত্যাশা ঝিনাইদহের ৪ টি আসনের ভোটারদের।

 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.