সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ) নির্বাচনী আসনে বিএনপির প্রার্থী নিয়ে জঠিলতার অবসান হয়নি। দলীয় মনোনয়ন পাওয়া দুই প্রার্থীই নিজেদের চূড়ান্ত প্রার্থী দাবী করে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এতে দিকবিদিক ছুটছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। প্রার্থী জঠিলতায় নির্বাচনের এই অন্তিম সময়েও প্রচারণায় অনেক পিছিয়ে দলটি। এই আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষর করা পৃথক মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ফয়ছল আহমদ চৌধুরী ও এমরান আহমদ চৌধুরী।
জানা যায়, সিলেট-৬ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরীকে প্রাথমিক প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়। এ ঘোষণার প্রতিবাদে আসনজুড়ে প্রার্থী রিভিউয়ের দাবী তুলেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। সর্বশেষ ২০১৮ সালে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করা ফয়ছল আহমদ চৌধুরীকে দলীয় পৃথক মনোনয়নপত্র দেয়া হয়। রিটার্নিং অফিসার ও সিলেটের জেলা প্রশাসক বিএনপির দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। এতে নতুন করে কোন্দল তীব্র হয়। এখনো স্থানীয়ভাবে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত না হওয়ায় নির্বাচনী প্রচারণায় অনেক পিছিয়ে গেছে দলটি।
নেতাকর্মীরা জানান, দ্রুত চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষনা করা না হলে এই আসনে বিজয় পাওয়া কঠিন হবে। বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আহমদ রেজা ও সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার হোসেন বলেন, চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে দল যাকে মনোনয়ন দিবে আমরা তার সাথে কাজ করবো। ব্যক্তি নয় প্রতীক বিজয়ী করতে আমাদের সর্বোচ্চ উজাড় করে দেয়া হবে।
এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে বিএনপির দুই প্রার্থীই দলের চূড়ান্ত প্রার্থী দাবী করেছেন। ফয়ছল আহমদ চৌধুরী বলেন, বিএনপি আমাকে চূড়ান্ত মনানয়ন দিয়েছে। এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, কৌশলগত কারনে দল বিকল্প প্রার্থী রেখেছে। আমিই দলের একমাত্র প্রার্থী।
কাওছার/ন্যাশনাল/এদিন



সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









