লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে অটোচালক রাজিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. সোহেল বাওয়াতী (৪০) ওরফে গিয়াসউদ্দিন গেসুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পার্শ্ববর্তী চাঁদপুর জেলা থেকে তাকে আটক করা হয়।
এদিকে খুনিকে বাঁচানোর জন্য একটি মহল বেশ উঠেপড়ে লেগেছে। তারা সোস্যাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন মাধ্যমে খুনির পোষা বানর নিয়ে আবেগপ্রবণ স্ট্যাটাস ও বানর নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করে খুনিকে আড়াল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
এলাকার সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন স্বীকারোক্তি দেওয়া খুনির পক্ষে আবেগ তৈরি করে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা প্রকৃত ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা।তারা দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ মে ২০২৬ তারিখে রায়পুর উপজেলায় রাজিবকে হাতুড়ি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এর আগে ভোর রাতে নিহতের বাবার মোবাইলে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের বাবা রায়পুর থানায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়ার তত্ত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে একটি দল চাঁদপুর সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় সোমবার (৪ মে) বিকেলে চাঁদপুর শহরের ওয়্যারলেস চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গেসুকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত গেসু রায়পুর উপজেলার চরপাঙ্গাসিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় সুইপার এবং নেশাগ্রস্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন ওসি।
পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ একটি মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আসামির পোষা বানরকে কেন্দ্র করে আবেগঘন প্রচারণা চালিয়ে খুনিকে আড়াল করার চেষ্টা করছে। বিষয়টিকে তারা ‘অকৌশল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









