পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘‘মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক ও রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। কোনো মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হলে তাকে ছাড়িয়ে নিতে কোনো ধরনের তদবির করা হবে না।’’
শনিবার (১৬ মে) সকালে মাদক বিরোধী নাগরিক সমাবেশে জগন্নাথপুর আধুনিক অডিটোরিয়ামে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘বাঞ্ছারামপুর, হোমনা, নবীনগর ও মুরাদনগর এলাকায় পুলিশ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন করা হবে। যারা মাদকের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সমাজে তাদের কোনো স্থান থাকবে না।’’
তিনি আরও বলেন, “মাদক আমাদের তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সন্তানদের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। রাজনৈতিক পরিচয়ে কেউ যেন মাদক ব্যবসায়ীদের প্রশ্রয় না দেয়, সে বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
তিনি জানান, প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে মাদকবিরোধী কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি খেলাধুলা, কর্মসংস্থান, প্রশিক্ষণ ও নতুন ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি করে তরুণদের সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে মাদকবিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করবে তাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে উৎসাহ ও পুরস্কৃত করা হবে। একই সঙ্গে যারা প্রকাশ্যে মাদকবিরোধী কথা বললেও গোপনে মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করে, তাদের মুখোশ উন্মোচনের আহ্বান জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদের সভাপতিত্বে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুরে সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেক পিএসসি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগরের সংসদ সদস্য মো. আবদুল মান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ্ মো. আব্দুর রউফ, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, বাঞ্ছারামপুর সহকারী কমিশনার ভূমি মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া প্রমুখ।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









