এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬ আগামী ২১ এপ্রিল বাংলা প্রথম পত্র দিয়ে পরীক্ষা শুরু হয়ে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষে ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা চলবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি পরীক্ষার সূচি অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
সূচিতে জানানো হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কক্ষে প্রবেশ করতে হবে। তাদের পরীক্ষা আরম্ভের তিন দিন আগে প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে পৃথক পৃথকভাবে পাস করতে হবে। পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে ও ব্যবহার করতে পারবেন না।
এ বছর নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। তবে অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের প্রশ্নে এ পরীক্ষায় বসতে হবে।
এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় যে শিক্ষার্থীরা বসবেন তারা নবম শ্রেণিতে বাতিল হয়ে যাওয়া নতুন শিক্ষাক্রমে পড়াশোনা করেছিলেন। কিন্তু ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ওই শিক্ষাক্রম বাতিল হয়ে যাওয়ার পর তারা বিভাগ বিভাজনসহ ২০১২ সালের শিক্ষাক্রমে দশম শ্রেণিতে পড়েছেন। তাই নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে।
আর গতবছর যে শিক্ষার্থীরা এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসেছেন তারা ২০১২ সালে প্রণীত শিক্ষাক্রমেই নবম ও দশম শ্রেণিতে পড়েছেন। তাই এ বছর যে শিক্ষার্থীরা মানোন্নয়ন বা অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে এসএসসি পরীক্ষায় বসেছেন, তাদের পরীক্ষা হবে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে।
তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে প্রণীত ‘নতুন শিক্ষাক্রমে’ নবম-দশম শ্রেণির বিভাগ বিভাজন উঠিয়ে দেওয়া হলেও ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর সে শিক্ষাক্রম বাতিল ঘোষণা করে অন্তর্বতীকালীন সরকার।
চলতি বছর থেকে ওই শিক্ষার্থীদের দশম শ্রেণিতে আবার বিভাগ বিভাজন ফিরিয়ে আনা হয়। শিক্ষাক্রম বাতিল ঘোষণা করে ওইদিন জারি করা পরিপত্রে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।
বিভাগ-বিভাজন ফিরিয়ে এনে এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস, প্রশ্নের ধরণ ও নম্বর বণ্টন ২০২৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর প্রকাশ করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এনসিটিবি।
পরে ২ জানুয়ারি বাংলা বিষয়ের সিলেবাসে কিছুটা পরিবর্তন এনে সংশোধিত সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছিল।



সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









