সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

মালয়েশিয়ায় দ্রুত বাড়ছে যক্ষ্মা সংক্রমণ, সতর্কতা জারি

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১৭ এএম

আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১৭ এএম

মালয়েশিয়ায় দ্রুত বাড়ছে যক্ষ্মা সংক্রমণ, সতর্কতা জারি

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়াতে হঠাৎ করেই যক্ষ্মা (টিবি) সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। জনসাধারণকে ভিড় ও বদ্ধ স্থানে মাস্ক পরা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। খবর দ্য স্ট্রেইটস টাইমস’র।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, চলতি মাসের ৮ থেকে ১৪ তারিখ পর্যন্ত এক সপ্তাহে দেশজুড়ে ৫৯৬ জন নতুন যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর ফলে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৭১ জনে।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান মাসে বাজার, ইফতার ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে মানুষের ভিড় বাড়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে, এখনও চিকিৎসা না নেওয়া যক্ষ্মা রোগীর সংস্পর্শে এলে বদ্ধ ও জনাকীর্ণ পরিবেশে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।

তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইনফ্লুয়েঞ্জা বা কোভিড-১৯ এর মতো যক্ষ্মা দ্রুত ছড়ায় না। এটি তুলনামূলক ধীরে ছড়ালেও দীর্ঘস্থায়ী এবং পুনঃসংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে।

যক্ষ্মা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং আগাম পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তারা দ্রুত শনাক্তকরণ, নিয়মিত ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

জনসাধারণের জন্য দেওয়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে—উপসর্গ থাকলে বা ভিড়ের মধ্যে গেলে মাস্ক পরতে হবে, কাশি-হাঁচির শিষ্টাচার মানতে হবে, ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং দুই সপ্তাহের বেশি কাশি বা যক্ষ্মার উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

যক্ষ্মা বা টিউবারকিউলোসিস একটি সংক্রামক রোগ, যার জীবাণু হলো মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস। আগে এই রোগটি ভয়াবহ হিসেবে বিবেচিত হলেও বর্তমানে এর কার্যকর চিকিৎসা রয়েছে এবং সচেতনতা বাড়ায় অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যক্ষ্মা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে আক্রমণ করতে পারে, তবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় ফুসফুস। দীর্ঘদিন কাশি, জ্বর, ওজন কমে যাওয়া, বুকে ব্যথা, দুর্বলতা ও ক্ষুধামন্দা—এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত পরীক্ষা করানো জরুরি।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, যক্ষ্মা বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি বা হাঁচি দিলে জীবাণু বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্যদের সংক্রমিত করতে পারে। তাই রোগ প্রতিরোধে জন্মের পরপরই শিশুদের বিসিজি টিকা দেওয়া, কাশি-হাঁচির সময় মুখ ঢেকে রাখা এবং নির্দিষ্ট স্থানে থুথু ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

টিআর

Advertisement
এদিনের সব

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.