আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চেয়েছেন। তার স্বামী সোহেল রানাও বিচারকের প্রশ্নের জবাবে মাফ চেয়ে ন্যায়বিচার চেয়েছেন। পাশাপাশি বলেছেন, ‘ডলারকে ধরেন স্যার, সেও তো দোষী।’
সোহেল এর আগে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন দাবি করেছিলেন, তিনি শুধু রামিসাকে ‘দুই টুকরো’ করেছেন। ধর্ষণ এবং হত্যা করেছে ডলার নামের মিরপুরের এক ব্যক্তি। ডলারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে তিনি এ কাজ করেছেন। তবে পুলিশ বলছে, কৌশলে নজর আরেক দিকে সরাতেই সোহেল এখন এসব কথা বলছেন।
বুধবার ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে সোহেল ও স্বপ্নার আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি হয়। বিচারক তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়ে শোনান। তখন তারা ন্যায়বিচার চান।
আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানির জন্য দুই আসামিকে সকালেই কারাগার থেকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। বেলা ১১ টা ১০ মিনিটের দিকে বিচারক এজলাসে উঠেন।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় বিচারক আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এবং ১৬ জনের সাক্ষ্য পড়ে শোনান।
বিচারক এরপর জানতে চান, আসামিরা দোষী না নির্দোষ। উত্তরে স্বপ্না নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
তবে সোহেল রানা মাফ চেয়ে বলেন, ‘স্যার, আমি নির্দোষ। খালাস চাই। আমাকে মাফ করে দেন। আমার সাথে ডলার ছিল, সেটা কেউ দেখে নাই। তাকে ধরেন স্যার। সেও তো দোষী।’
এরপর আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য বৃহস্পতিবার দিন রাখে বলে সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ জানান।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী, বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু ও আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









