রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

শিশু অপহরণের পর হত্যা

দুইজনের যাবজ্জীবন, একজনের ১৪ বছর সাজা

প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৭ পিএম

আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৭ পিএম

দুইজনের যাবজ্জীবন, একজনের ১৪ বছর সাজা

আঠারো বছর আগে ঢাকার কাফরুলে ১১ বছর বয়সি শফিকুল ইসলাম ওরফে মিলনকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় দুইজনকে যাবজ্জীবন এবং একজনকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও এই মামলায় দুজনকে খালাসও দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল -৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন পেয়েছেন- আল আমিন ঘরামী ও মাসুদ রানা। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এ দুজনকে। অনাদায়ে আরও এক বছর সশ্রম কারাভোগ করতে হবে দুই আসামিকে।

অপহরণের দায়ে ঘটনার সময় ১৫ বছর বয়সী সাইফুল ইসলাম ওরফে ছোট সাইফুলকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাইফুলকেও কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন আব্দুল মোত্তালেব ওরফে মোতা এবং আমিরুল ইসলাম ওরফে রুবেল।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাশেদুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ভিকটিমের পরিবারকে দেওয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় মাসুদ রানা ট্রাইব্যুনালে হাজির ছিল। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর দুই আসামি পলাতক থাকায় আল আমিন ঘরামী ও সাইফুলের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালের ৬ মার্চ বাসা থেকে খেলার উদ্দেশ্যে মিলন বের হন। এরপর আর সে বাসায় ফিরে আসেনি। ৭ মার্চ থেকে ১৩ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে অপহরণকারীরা মিলনের পরিবারের কাছে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

এ ঘটনায় মিলনের বাবা শফিকুল ইসলাম ওরফে শহিদ ১৩ মার্চ কাফরুল থানায় অপহরণের মামলা করেন। কললিস্টের সূত্র ধরে আসামিদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্য মতে সাভারের রামচন্দ্রপুর কর্ণপাড়া নামের স্থান থেকে মিলনের হাড়, দাঁত, রক্তমাখা পাথর উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মামলায় হত্যার অভিযোগ সংযুক্ত করা হয়।

কাফরুল থানার এসআই তহিদুল ইসলাম ২০০৯ সালের ৩ অগাস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি সিআইডি পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেয়।

Advertisement
এদিনের সব

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.