হাড় কাঁপানো শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। রাতভর টিপটিপ বৃষ্টির মতো ঝরা ঘন কুয়াশা থাকছে সকাল পর্যন্ত। সকাল ও সন্ধ্যায় প্রচণ্ড শীতের কারণে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে। এরই মধ্যে শৈত্য প্রবাহ বইছে দেশের অনেক জেলায়। এছাড়াও চলতি জানুয়ারি মাসে দেশে একাধিক শৈত্য প্রবাহ হতে পারে। এর মধ্যে তীব্র শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।
শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষজন। দরিদ্র ও দিনমজুররা কাজ না পেয়ে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। শীতের তীব্রতায় রোগীর সংখ্যা বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে। মানুষজনকে রাস্তার মোড়, চায়ের দোকান ও বাজার এলাকায় খড়কুটো, কাঠ ও পুরোনো টায়ার জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে। এ ছাড়া কুয়াশার কারণে সড়ক-মহাসড়কে যানবাহনগুলো চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।
আবহাওয়া অফিসের মাসব্যাপী পূর্বাভাসে বলা হয়, চলতি জানুয়ারি মাসে দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। এর মধ্যে দুই-তিনটি শৈত্যপ্রবাহ হবে মৃদু থেকে মাঝারি (৮-১০ ডিগ্রি থেকে ৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং এক-দুইটি শৈত্যপ্রবাহ হবে মাঝারি থেকে তীব্র (৬-৮ ডিগ্রি থেকে ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস)।
এতে আরও বলা হয়, চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়/নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এছাড়া এই মাসে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদ-নদী অববাহিকাসহ দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরণের কুয়াশা পড়তে পারে। তবে কখনও কখনও কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিন এবং রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে শীতের অনুভূতি বৃদ্ধি পেতে পারে।

সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন







