একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিমাপের জন্য পরিসংখ্যানের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু একটি দেশের প্রকৃত সমৃদ্ধি উপলব্ধি করতে হলে পরিসংখ্যানের বাইরেও মানুষের মুখের দিকে তাকাতে হয়। জাতীয় আয় বৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়, মোট দেশজ উৎপাদন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, রপ্তানি আয় কিংবা অবকাঠামোগত অগ্রগতি- এসবই অর্থনৈতিক সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। কিন্তু এসব সূচকের ঊর্ধ্বমুখী অগ্রগতির মধ্যেও যদি সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি না আসে, যদি একজন শ্রমজীবী মানুষ মাসের শেষ সপ্তাহে সংসারের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খান, যদি একজন শিক্ষিত তরুণ চাকরির আশায় বছরের পর বছর অপেক্ষা করেন, কিংবা একজন কৃষক উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য না পান, তাহলে সেই উন্নয়নের সাফল্য নিয়ে নতুন করে ভাবার অবকাশ তৈরি হয়।
কারণ, উন্নয়নের প্রকৃত অর্থ কেবল রাষ্ট্রীয় সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি নয়; বরং সেই সম্পদের সুফল সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। উন্নয়নের পরিসংখ্যান তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন তা মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হয়। বাংলাদেশ গত কয়েক দশকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। কৃষি, তৈরি পোশাকশিল্প, প্রবাসী আয়, অবকাঠামো ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণে দেশের অগ্রযাত্রা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও আলোচিত হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রাথমিক হিসাব অনুসারে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের মাথাপিছু আয় ৩ হাজার ২০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছিল। একই সময়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রাথমিক হিসাব ছিল ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ।
পরিসংখ্যানের এই ইতিবাচক চিত্রের পাশাপাশি অর্থনীতির বাস্তব অবস্থাও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। বিশ্বব্যাংকের ৬ অক্টোবর ২০২৬ প্রকাশিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট অনুসারে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। অর্থাৎ অর্থনীতির আকার বাড়লেও প্রবৃদ্ধির গতি প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল হয়েছে। এই পার্থক্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়, অর্থনৈতিক তথ্যের ক্ষেত্রে হিসাবের সময়কাল, পদ্ধতি ও সংশোধিত অনুমানের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অর্থনৈতিক উন্নয়নের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা। একজন মানুষের আয় বাড়লেই যে তাঁর জীবনমান বাড়বে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। আয় বৃদ্ধির তুলনায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য যদি দ্রুত বৃদ্ধি পায়, তাহলে প্রকৃত আয় বরং সংকুচিত হয়। বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জীবনে অন্যতম বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যের বরাত দিয়ে দ্য ডেইলি স্টার ৮ অক্টোবর ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানায়, সেপ্টেম্বর মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে; আগস্টে যা ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ২২ শতাংশ।
অন্যদিকে, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ১২ অক্টোবর ২০২৬ জানায়, আগস্টে মজুরি বৃদ্ধির হার ৮ দশমিক ০৫ শতাংশের কাছাকাছি থাকলেও মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। অর্থাৎ আয় বৃদ্ধির গতি মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না। এই ব্যবধানের অভিঘাত সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারে। তাঁদের কাছে মূল্যস্ফীতি কোনো অর্থনৈতিক তত্ত্ব নয়; এটি মাসের বাজারের হিসাব, সন্তানের শিক্ষার ব্যয়, চিকিৎসকের ফি এবং বাড়িভাড়ার সঙ্গে প্রতিদিনের লড়াই।
অর্থনীতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো দারিদ্র্যের হার। বিশ্বব্যাংকের ২০২৫ সালের বাংলাদেশ পোভার্টি অ্যান্ড ইকুইটি অ্যাসেসমেন্ট শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০১০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছে। এটি নিঃসন্দেহে একটি বড় অর্জন। কিন্তু একই প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ এমন অবস্থানে রয়েছে, যেখানে অসুস্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা অন্য কোনো আকস্মিক অর্থনৈতিক বিপর্যয় তাদের আবার দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিতে পারে। আরো উদ্বেগজনক হলো, বিশ্বব্যাংকের ৬ অক্টোবর ২০২৬ প্রকাশিত নতুন প্রতিবেদনের হিসাব অনুসারে, জাতীয় দারিদ্র্যের হার ২০২২ সালের ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে ২০২৬ সালে আনুমানিক ২২ দশমিক ৫ শতাংশে পৌঁছেছে। শুধু ২০২৫-২৬ অর্থবছরেই আনুমানিক ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যের মধ্যে পড়েছে। দ্য ডেইলি স্টার ৭ অক্টোবর ২০২৬ প্রকাশিত ‘সিক্স পয়েন্ট টু ক্রোর পিপল ওয়ান শক অ্যাওয়ে ফ্রম পভার্টি’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছে। অর্থাৎ দারিদ্র্য বিমোচনে অতীতের অর্জন থাকলেও বর্তমান বাস্তবতায় সেই অগ্রযাত্রা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।
উন্নয়নের পরিসংখ্যানের সঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রামের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য দেখা যায় কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে। প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক তরুণ উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে কর্মজীবনে প্রবেশের প্রত্যাশা নিয়ে অপেক্ষা করেন। কিন্তু শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুসারে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি না হওয়ায় তাঁদের অনেকেই অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটান। কেউ নিজের যোগ্যতার তুলনায় কম বেতনের কাজে যুক্ত হন, কেউ অস্থায়ী কর্মসংস্থানের ওপর নির্ভর করেন, আবার কেউ দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকেন। একটি দেশের অর্থনীতি তখনই শক্তিশালী হয়, যখন তার শিক্ষিত ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত হতে পারে। শুধু প্রবৃদ্ধির হার দিয়ে কর্মসংস্থানের গুণগত মান বিচার করা যায় না। বিশ্বব্যাংকের ২০২৫ সালের দারিদ্র্য ও সমতা মূল্যায়ন প্রতিবেদনে তরুণদের কর্মসংস্থান, নারীর শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ এবং নিম্ন মজুরির কাজের প্রসঙ্গ বিশেষভাবে উঠে এসেছে। তাই কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্পায়নের বিকল্প নেই।
অন্যদিকে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সমাজের সব শ্রেণির মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে কিনা, সেটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একটি দেশে বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী গোষ্ঠী কিংবা উচ্চ আয়ের মানুষের সম্পদ দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে; কিন্তু একই সময়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কৃষক, শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। অর্থনীতির ভাষায় একে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ঘাটতি বলা যায়। উন্নয়ন যদি কেবল কিছু মানুষের সম্পদ বৃদ্ধিতে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে সামাজিক বৈষম্য আরো গভীর হয়। একজন কৃষক উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দাম না পেলে, একজন শ্রমিক ন্যায্য মজুরি না পেলে কিংবা একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সহজ শর্তে ঋণ না পেলে সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল তাঁদের জীবনে দৃশ্যমান হবে না। সুতরাং উন্নয়নের পরিমাপক হতে হবে শুধু জাতীয় সম্পদের পরিমাণ নয়, সম্পদের ন্যায়সংগত বণ্টনও।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, বিনিয়োগের স্থবিরতা এবং জ্বালানি সংকটও সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রামকে প্রভাবিত করছে। বিশ্বব্যাংকের অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের জুনে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের অনুপাত ৩৩ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছেছে। একই সময়ে বেসরকারি বিনিয়োগ, শিল্প উৎপাদন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও দুর্বলতা দেখা গেছে। গ্যাস ও বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যাহত করছে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত শ্রমিকের কর্মসংস্থান, পণ্যের উৎপাদন ব্যয় এবং বাজারমূল্যের ওপর গিয়ে পড়ে। ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম, ঋণখেলাপি সংস্কৃতি এবং অর্থের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে উৎপাদনশীল বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে। আর বিনিয়োগ ছাড়া টেকসই কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব নয়।
বাংলাদেশের অর্থনীতির সম্ভাবনাকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। প্রবাসী আয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। তৈরি পোশাকশিল্প লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। কৃষি এখনো দেশের খাদ্যনিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি। তথ্যপ্রযুক্তি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, নারী উদ্যোক্তা এবং তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করছে। কিন্তু এই সম্ভাবনাকে বাস্তব সাফল্যে রূপান্তর করতে হলে প্রয়োজন সুশাসন, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, কার্যকর বাজারব্যবস্থা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং দক্ষ মানবসম্পদ। সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে পৌঁছানোও জরুরি। বিশ্বব্যাংকের অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারগুলোর প্রায় অর্ধেকই সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতার বাইরে রয়েছে। ফলে সরকারি সহায়তার অর্থ যথাযথভাবে বণ্টন করা এবং প্রকৃত অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এখন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি।
প্রকৃতপক্ষে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রামকে পরস্পরের প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখার প্রয়োজন নেই। বরং উন্নয়নের পরিসংখ্যানকে মানুষের বাস্তব জীবনের সঙ্গে যুক্ত করাই রাষ্ট্রের দায়িত্ব। মাথাপিছু আয় বাড়ার পাশাপাশি মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা বাড়তে হবে। জিডিপির প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করতে হবে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে হবে, সিন্ডিকেট ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং কৃষক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত সরবরাহব্যবস্থায় স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। রাষ্ট্রের উন্নয়ননীতি এমন হতে হবে, যেখানে একজন শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি, একজন কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য, একজন শিক্ষিত তরুণের কর্মসংস্থান এবং একজন অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার অধিকার সমান গুরুত্ব পায়।
পরিশেষে বলা যায়, উন্নয়নের পরিসংখ্যান রাষ্ট্রের অগ্রগতির মানচিত্র তুলে ধরে, আর সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম সেই মানচিত্রের বাস্তবতা যাচাই করে। পরিসংখ্যান আমাদের জানায় দেশ কত দূর এগিয়েছে, কিন্তু মানুষের মুখের হাসি বলে দেয় সেই অগ্রযাত্রা কতটা অর্থবহ হয়েছে। যে উন্নয়নে মানুষের জীবন সহজ হয় না, যে প্রবৃদ্ধিতে ক্ষুধা ও বেকারত্ব কমে না, যে সমৃদ্ধিতে বৈষম্য হ্রাস পায় না- সেই উন্নয়ন পূর্ণতা অর্জন করতে পারে না। আমাদের প্রয়োজন এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যেখানে উন্নয়নের সুফল মুষ্টিমেয় মানুষের সম্পদে সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজের প্রতিটি স্তরে প্রবাহিত হবে। মনে রাখতে হবে, রাষ্ট্রের প্রকৃত সমৃদ্ধি তার সম্পদের পরিমাণে নয়, বরং সেই সম্পদ দিয়ে কত মানুষের জীবনে স্বস্তি, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সম্ভাবনার আলো জ্বালানো গেল, তার মধ্যেই নিহিত।
লেখক : কবি ও প্রাবন্ধিক


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









