প্রায় ১৭ বছর পর আবারও ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের মে মাসের শেষ দিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচে মাঠে নামবে টাইগাররা।
সবশেষ ২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরে গিয়ে টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও সাদা পোশাকে ইংলিশদের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
আসন্ন এই ম্যাচটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) অংশ নয়। তবে ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে লর্ডস বা ওভালের নামই বেশি শোনা যাচ্ছে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল কোথায় হবে, তার ওপরই নির্ভর করছে বাংলাদেশের ম্যাচের ভেন্যু।
সম্প্রতি লর্ডসের উইকেট নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের একটি ম্যাচ মাত্র চার দিনেই শেষ হলেও সেখানে খুব কম ওভার খেলা হওয়ায় বোলিং সহায়ক উইকেট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ফলে ডব্লিউটিসি ফাইনাল ওভালে সরিয়ে নেওয়ার চিন্তা করছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।
যদি ফাইনাল লর্ডসে না হয়, তাহলে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টটি সেখানে আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এমন হলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সাতটি টেস্টের মধ্যে চারটিই লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে।
আগামী ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইংল্যান্ড দলের বাংলাদেশ সফরে আসার কথাও রয়েছে। সে সময় ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে তারা। এরপর মার্চে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ টেস্ট খেলবে ইংল্যান্ড। তার পরেই মে মাসে নিজেদের মাটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচটি আয়োজন করবে ইংলিশরা।
২০২৭ সালে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা নয়টি টেস্ট খেলবে ইংল্যান্ড। অ্যাশেজ সিরিজের আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটি বেন স্টোকসদের জন্য প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ইংল্যান্ড সফরে দারুণ পারফর্ম করেছিলেন তামিম ইকবাল, যিনি দুইটি সেঞ্চুরি করেছিলেন। একই সিরিজে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। সেই স্কোয়াডের মধ্যে বর্তমানে কেবল মুশফিকুর রহিমই টেস্ট দলে নিয়মিত আছেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









