২০১৯ সালে কায়েদ-ই-আজম ট্রফিতে সেন্ট্রাল পাঞ্জাবকে নেতৃত্ব দেওয়ার পর থেকে আর ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেননি বাবর। অবশেষে খানিকটা বাধ্য হয়েই সাত বছর পর আবার ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে দেখা যাবে পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়ককে।
২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের পর টেস্টে একটিও শতরান করতে পারেননি বাবর। শেষবার করাচিতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শতরান করেছিলেন তিনি। তার পর ৩৯টি ইনিংসে তিন অঙ্কে পৌঁছোতে পারেননি পাক অধিনায়ক। এই ৩৯ ইনিংসে ২৮.৭৬ গড়ে ১০৬৪ রান করেছেন তিনি। এতে রয়েছে মাত্র সাতটি অর্ধশত রানের ইনিংস।
২০২৩ সালে টেস্টে বাবরের গড় ছিল ২২। পরের বছর তা আরও কমে হয় ২০। তবে গত বছর তিনি রান করেছেন ৩১ গড়ে।
কিন্তু তার পরেও ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেননি বাবর। অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটার তাকে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার পরামর্শ দিয়েছেন। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের উদাহরণও দিয়েছেন তারা। কিন্তু ২০১৯ সালে কায়েদ-ই-আজম ট্রফিতে সেন্ট্রাল পাঞ্জাবকে নেতৃত্ব দেওয়ার পর থেকে আর ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেননি বাবর।
পাকিস্তানের সংবাদপত্র ‘ডন’ জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টস গ্রেড-১ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে ঘরোয়ার লাল বলের ক্রিকেটে ফিরবেন বাবর। বুধবার লন্ডন থেকে ফেরার পর দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি।
এ কথা নিশ্চিত করেছেন দলের প্রধান কোচ ফারাহ বাতুল। তিনি বলেন, “বুধবার লন্ডন থেকে পাকিস্তানে ফিরবে বাবর। পরের দিনই দলের সঙ্গে যোগ দেবে ও। বাবরের জার্সি তৈরি হয়ে গিয়েছে।”
বাতুল বলেন, “ঘরোয়া ক্রিকেটে বাবর দ্বিতীয় ম্যাচ থেকে খেলবে না তৃতীয় ম্যাচ থেকে, সেটা ওই ঠিক করবে। তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলে ও ফিরেছে। তাই ওর কত দিন বিশ্রাম প্রয়োজন সেটা বাবরই জানাবে।”
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চোটের কারণে প্রথম টেস্টে খেলতে পারেননি বাবর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্টের চার ইনিংসে যথাক্রমে ৮, ৬, ৭ ও ৭৬ রান করেছেন তিনি। এজবাস্টনে দ্বিতীয় ইনিংস ছাড়া তাকে দেখে মনেই হয়নি, বাবর ব্যাট করছেন। বার বার বাউন্সারে তাকে সমস্যায় ফেলেছেন ইংরেজ বোলারেরা। সেই কারণেই হয়তো বাধ্য হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরতে চলেছেন তিনি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









