দেশে বৃষ্টিপাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়তে পারে। এর মধ্যে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে উত্তরের পাঁচ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে সাময়িক প্লাবন দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পাউবোর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পাউবো জানায়, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে সরে বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।
আবহাওয়া সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন দিন দেশের অভ্যন্তর ও সংলগ্ন উজান এলাকায় মাঝারি থেকে ভারি এবং কোথাও কোথাও অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল ছিল। আগামী এক দিনও এ নদ-নদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। এরপর পরবর্তী চার দিন পানি কমতে পারে।
এদিকে গঙ্গা নদীর পানি সমতল এরই মধ্যে কমেছে। অন্যদিকে পদ্মার পানি সমতল স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী দুই দিন পদ্মার পানি কমতে পারে এবং পরবর্তী তিন দিন তা স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদ-নদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। তবে সুরমার পানি আগামী এক দিন বাড়তে পারে এবং পরবর্তী দুই দিন কমতে পারে। কুশিয়ারার পানি আগামী এক দিন কমার পর পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে পাউবো।
উত্তরাঞ্চলের ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। বিপরীতে তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। আগামী তিন দিন এসব নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে।
পাউবোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার কিছু এলাকায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









