জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য পুনরায় ফিস্ট মিলের আয়োজন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ২০ শতাংশ আবাসিক এবং ৮০ শতাংশ অনাবাসিক হওয়া সত্ত্বেও শুধু আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য এ আয়োজনকে বৈষম্যমূলক বলে দাবি করেছেন তারা।
এর আগে, গত ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য ফিস্টের আয়োজন করা হয়। ওই আয়োজনে পরিবেশিত খাবার পচা ও বাসি ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিলে পরবর্তীতে নতুন করে ফিস্ট আয়োজনের উদ্যোগ নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
তবে এবারও শুধু আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য ফিস্টের আয়োজন করায় অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন করে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী অনাবাসিক হওয়া সত্ত্বেও তাদের বাদ দিয়ে শুধু আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনগুলোতে আবাসিক-অনাবাসিক নির্বিশেষে সব শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা উচিত বলেও দাবি তাদের।
ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের অনাবাসিক শিক্ষার্থী সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, “একজন শিক্ষার্থী হলের সিট না পেয়ে বাধ্য হয়ে নিজের খরচে মেস বা বাসায় থাকেন। ফলে তিনি আবাসিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত আবাসন ব্যয়ও বহন করেন। এর পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফিস্ট ও আয়োজনে শুধু আবাসিক শিক্ষার্থীদের খাবারের ব্যবস্থা করা হলে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্য সৃষ্টি হয়।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুস সাদাত বলেন, “আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন নিয়োগ পেয়েছি। সব হল প্রভোস্টের সঙ্গে পরামর্শ করেই পূর্বের ন্যায় এবারও একই ধরনের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো আয়োজন হলে সবার জন্য করা হবে কি না, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









