আগামী ২০ আগস্ট দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট হতে যাচ্ছে। দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এ ভোট। জাতীয় সংসদে বিরোধী দল বা ১১ দলীয় জোট থেকে প্রার্থী ঘোষণা করায় নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যদিও এখনো মনোনয়নপত্র জমা, যাচাই-বাছাই, প্রত্যাহারের সময় রয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুরে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করে ১১ দলীয় জোট।
জোটের বৈঠক শেষে জোটের অন্যতম শরিক দল এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানান, দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। তবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করলেও জয়ের সুযোগ নেই। কারণ সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে বিএনপির। ফলে তাদের সমর্থনের বাইরে কার্যত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ নেই।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল রবিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য এ তথ্য জানিয়েছেন। তারা জানান, আগামী বুধবার দলীয়ভাবে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। দলীয় চেয়ারম্যান মির্জা ফখরুলের নাম প্রায় নিশ্চিতভাবেই চূড়ান্ত করেছেন। এছাড়াও দীর্ঘদিনের বিএনপি মহাসচিবই রাষ্ট্রপতি পদে দলের পছন্দ বলে নিশ্চিত করেন তারা। প্রসঙ্গত, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি দলীয় প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্ব তারেক রহমানের ওপর অর্পণ করেছিল।
জাতীয় সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হওয়া প্রায় নিশ্চিত, যদি না সংসদে সমর্থনের ক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত কোনো পরিবর্তন ঘটে।
এদিকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দুটি মনোনয়ন ফরম নিয়েছে সরকার দল বিএনপি। ইসি ভবনে গিয়ে গতকাল সকালে এ মনোনয়ন সংগ্রহ করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী। তবে দলের পক্ষ থেকে কয়েকজনের নাম প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকলেও এখনো কোনো নাম চূড়ান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানই রাষ্ট্রপতি প্রার্থী নির্বাচন করবেন।
নির্বাচন কমিশসনর সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। সময়সূচি ঘোষণার পর কমিশনের পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে। আপাতত কেবল নির্বাচনের তফসিলই প্রকাশ করা হলো, পরবর্তীতে হালনাগাদ তথ্য ও অগ্রগতি আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানিয়ে দেওয়া হবে। কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার কারণ ব্যাখ্যা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দলে আমরা মনে করি দেশের এই যে সংকট একটা চলছে, এই সময় দেশে যে ধরনের অভিভাবকত্ব প্রয়োজন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমরা মনে করি কর্নেল অলি আহমেদ উপযুক্ত এবং উনার অভিভাবকত্বে বা উনার নেতৃত্বে এই সংকটগুলো নিরসন হওয়া সম্ভব।
১১ দলের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইস্যু হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, আলোচনায় অনেকগুলো বিষয় এসেছে। বিশেষত বিএনপি সরকারের নির্বাচন পরবর্তী যে অবস্থান, আমাদের গণভোট, জুলাই সনদ, সেই বিষয়গুলো নিয়ে পরবর্তী সময়ে সরকারের দ্বিচারিতা।
সরকারি দল এবং বিরোধী দল রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী ঘোষণা করলে আগামী ২০ আগস্ট ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ‘নির্বাচনী কর্তা’র দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে দেশের ইতিহাসে একবার রাষ্ট্রপতি পদে ভোট হয়। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে সংসদ সদস্যদের ভোটে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন আবদুর রহমান বিশ্বাস। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী। এর পরে সব রাষ্ট্রপতিই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রার্থী একজন হলে এবং যাচাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বৈধ বিবেচিত হলে কমিশন তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করবে। তবে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হলে নির্বাচনের জন্য তাদের নাম ঘোষণা করবে কমিশন। তখন সংসদ অধিবেশন না থাকলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন হলে স্পিকার ৭ দিন আগে বৈঠক আহ্বান করতে পারেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হবে বলে ইতিমধ্যে গণমাধ্যমে জানিয়েছেন সরকারি দলের চিফ হুইফ নূরুল ইসলাম মনি।
তিনি জানান, অধিবেশনটি স্বল্পমেয়াদি হবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্তকে দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য একটি নতুন বার্তা বলে মনে করেন জামায়াত নেতা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির। তিনি বলেন, ‘গাজী নজরুল ইসলাম যেহেতু সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তাই তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।’গতকাল হাইকোর্টের অ্যানেক্স ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আগামী ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণের তারিখ রেখে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, আগ্রহী প্রার্থীরা ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে এবং ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এক প্রার্থী একাধিক মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেন, বাছাইয়ে একটি চূড়ান্ত হবে। ভোট হবে ২০ আগস্ট সংসদ অধিবেশন কক্ষে।
এদিকে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দেড় যুগের বেশি সময় পর বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে। এখন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব চাইবে এমন একজনকে রাষ্ট্রপতি করতে, যিনি রাষ্ট্রের সংকটময় মুহূর্তে শক্ত হাতে হাল ধরতে পারবেন এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবেন। কেন না, দেশের যে কোনো সংকটকালে রাষ্ট্রপতিকে অভিভাবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হয়। মির্জা ফখরুল সেটি পারবেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিএনপি মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলের কঠিন সময়ে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দলের বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালনে তার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। তার সুচিন্তিত বক্তব্য ও শান্ত রাজনৈতিক কৌশল দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক মহলে তাকে একটি বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছে। এ ছাড়া দেশের ভেতরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তার সমন্বয়ক ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে মির্জা ফখরুলের ব্যক্তিত্ব, অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা তাকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক অভিভাবকের পদে সম্ভাব্য বিবেচনায় শীর্ষ সারিতে রেখেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিএনপিতে বিশ্বস্ততা ও দুঃসময়ের কান্ডারি হিসেবে মির্জা ফখরুল অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন ‘সাদামাটা ও সজ্জন’ রাজনীতিবিদ হিসেবে সমধিক পরিচিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ আজ পর্যন্ত মেলেনি। শুধু তা-ই নয়, রাজনৈতিক বিতর্কে শালীনতা বজায় রাখা এবং মার্জিত আচরণের জন্য তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের কাছেও সমানভাবে শ্রদ্ধেয়। বিশেষ করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির চরম দুঃসময়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন মির্জা ফখরুল।
তৎকালীন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতি এবং বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রবাস জীবনে থেকে অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখে নেতৃত্ব দিয়েছেন মির্জা ফখরুল। শত শত মামলা, হামলা ও কারাবরণ সত্ত্বেও জিয়া পরিবারের প্রতি তার অবিচল আনুগত্য এবং সাংগঠনিক কর্মতৎপরতা তাকে নেতাকর্মীদের কাছে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। টানা বহু বছর প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দলের জাতীয় রাজনীতি সামলানোর কারণে শীর্ষ পদের জন্য তাকে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করেন অনেক নেতাকর্মী ও সমর্থক। রাষ্ট্রপতির মতো আলংকারিক ও নিরপেক্ষ ভারসাম্য বজায় রাখার পদের জন্য তার মেজাজ ও ব্যক্তিত্ব মানানসই বলে মনে করেন অনেকে।
এ ছাড়া রাজনৈতিক অঙ্গনে মির্জা ফখরুলের রয়েছে সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা। যেহেতু রাষ্ট্রপতি পদটি কোনো একক দলের নয়, বরং তা রাষ্ট্রের। তিনি তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় প্রমাণ করেছেন, তিনি উগ্রবাদের বিরোধী এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। সেইসঙ্গে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষা এবং সুশীল সমাজের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক তাকে একজন ‘গার্ডিয়ান ফিগার’ হিসেবে উপস্থাপন করে। আন্তর্জাতিকভাবে কূটনৈতিক মহলেও তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, যা নতুন সরকারের জন্য বৈশ্বিক সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক হবে।
১৯৪৮ সালে ঠাকুরগাঁওয়ে জন্ম নেওয়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রয়েছে বর্ণাঢ্য পারিবারিক ইতিহাস। তার বাবা মরহুম রুহুল আমিন (চখা মিয়া) ছিলেন কৃষি প্রতিমন্ত্রী। তার বড় চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ ১৯৭৮ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ভূমিমন্ত্রী এবং ১৯৭৯ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন।
দেশের বর্ষীয়ান নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম সাবেক শিক্ষক এবং অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য। ৭৯ বছর বয়সী এ নেতার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও ধীরস্থির সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাকে অভিভাবকত্বের আসনে বসানোর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত করে তুলেছে। মির্জা ফখরুল ১৯৭২ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষা ক্যাডারে ঢাকা কলেজে অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের পরিদর্শন ও আয়-ব্যয় পরীক্ষণ অধিদপ্তরে নিরীক্ষক হিসেবেও কাজ করেন। ১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী এসএ বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পান। ১৯৮২ সালে মরহুম এইচএম এরশাদ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর বারী পদত্যাগ করার আগ পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।
বারী পদত্যাগ করার পর মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন। মির্জা ফখরুল ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ থেকে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয় ও পরবর্তীকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নিয়ম অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। এজন্য ইতোমধ্যে সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা তথা সংসদ সদস্যদের নাম ইসি সচিবালয়ে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









