সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে ঈদুল আজহা। ঈদের নামাজের পর পশু কোরবানি শেষে রাজধানীর পাড়া-মহল্লা থেকে কোরবানির চামড়া সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে কোরবানির চামড়া সংগ্রহ করছেন তারা।
রাজধানীর পল্টন এলাকায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান বলেন, ‘‘সকাল থেকেই বিভিন্ন বাড়ি ঘুরে চামড়া সংগ্রহ করছি। প্রথমে সেগুলো এখানে জমা করবো, তারপর মাদ্রাসায় নিয়ে যাবো। মাদ্রাসা থেকে ট্যানারিতে দেওয়া হবে। কোরবানির পশুর চামড়ার টাকা তাদের জন্য খরচ করা হয়।’’
নিউমার্কেট এলাকা থেকে মাদ্রাসার ছাত্র আমিমুল আহসান বলেন, ‘‘কোরবানি শেষ হওয়ার সাথে সাথেই আমাদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। অনেক সময় বড় চামড়াগুলো একা টানতে কষ্ট হয়, তাই আমরা চার-পাঁচজন মিলে গ্রুপ করে কাজ করছি। বিকেল হওয়ার আগেই সব চামড়া মাদ্রাসার মাঠে নিয়ে লবণ দিতে হবে, নয়তো চামড়া নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এটা আমাদের কাছে একটা পবিত্র দায়িত্ব।’’
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মো. শাহীন আহমেদ বলেন, ‘‘এবারের সরবরাহ ব্যবস্থাপনা অন্যান্য বছরের তুলনায় ভালো হয়েছে বলে আমি মনে করি। সরকার প্রায় ১৭ কোটি টাকার লবণ বিনামূল্যে বিতরণ করেছে। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কয়েক কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। প্রশাসনের সব স্তরে বিষয়টি তদারকি করা হবে এবং মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলো যেন দ্রুত লবণ ব্যবহার করে চামড়া সংরক্ষণ করতে পারে, সে বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা হবে।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘এবার আমাদের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ লাখ। চামড়ার দাম নির্ভর করবে মূলত গুণগত মানের ওপর। কোয়ালিটি ঠিক থাকলে অবশ্যই ভালো দাম পাওয়া যাবে, আর মান ঠিক না থাকলে সঠিক মূল্য মিলবে না এটাই বাস্তবতা।’’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









