সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দাতিনাখালী এলাকায় নদী ভাঙ্গন কবলিত চরে মরা কাঁকড়া ফেলার কারণে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে বলে দাবী করেছেন এলাকাবাসী।
বুড়িগোয়ালিনী ইউপির দাতিনাখালী গ্রামের বাসিন্দা আনিসুজ্জামান সুমন বলেন দাতিনাখালী গ্রামের নদী ভাঙ্গন কবলিত পাড়ে বিভিন্ন কাঁকড়া হ্যাচারীর মরা কাঁকড়া ফেলে রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব বর্জ্য ফেলার কারণে সেখানে স্তুপ জমে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে আশে পাশে।
স্থানীয় বাসিন্দা খালেকুল গাজী বলেন হ্যাচারির মালিকরা নিয়মিত মরা কাঁকড়া এখানে ফেলে রাখেন। পচে যাওয়ায় সেখানে পোকা মাকড়ের জন্ম হয়েছে।দুর্গন্ধের কারণে পাউবোর বেড়ী বাঁধ দিয়ে চলাচলের সময় মুখে, নাকে কাপড় দিয়ে চলাচল করতে হয়। তিনি বলেন এ বিষয়ে হ্যাচারি মালিকদের বলেও ফল পাওয়া যায়নি।
অন্য বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন বার বার নিষেধ করার পরও নদীর পাড়ে মরা কাঁকড়া ফেলা বন্ধ হচ্ছে না। নদীতে বর্জ্য ফেলা নিষিদ্ধ হলেও বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্তদের তেমন কোন উদ্যোগ দেখা যাচ্ছেনা।
স্থানীয় পরিবেশ সচেতন ব্যক্তি শাহিন আলম বলেন মরা কাঁকড়া যথাযথভাবে মাটিতে পুঁতে ফেলার নিয়ম রয়েছে। কিন্ত সেটা না করে উন্মুক্তস্থানে ফেলে রাখার ফলে পরিবেশ দূষণ সহ জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরী হচ্ছে। তিনি এবিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেন।
অভিযোগের বিষয়ে একটি হ্যাচারির মালিক মুঠো ফোনে বলেন মরা কাঁকড়া নদীতে ফেলা হয় না। বরং সেখানে মরা কাঁকড়া না ফেলার জন্য সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছিল। কিন্ত সেটি কে বা কাহারা নষ্ট করে ফেলেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









