সিলেটের সুরমা কুশিয়ারাসহ সবকটি নদ-নদীর পানি কিছুটা কমেছে। এতে সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে উপজেলা প্রশাসন। তবে পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টি অব্যাহত আছে।
সোমবার (২২ জুন) কয়েকটি শর্তে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
ভারতের মেঘালয়ে অতিভারী বৃষ্টির কারণে গতকাল রবিবার (২১ জুন) থেকে বাড়তে শুরু করে সিলেটের নদ নদীর পানি। সীমান্তবর্তী কয়েকটি এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঢলে তলিয়ে যাওয়ায় সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র রবিবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এছাড়াও জাফলং পর্যটন কেন্দ্রের শতাধিক দোকান ঢলের তোড়ে ভেসে যায়।
তবে আজ সোমবার সকাল থেকে পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে। সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে আজ বিকেল ৩টায় পানির উচ্চতা ছিল ১১ দশমিক ৪৭ মিটার। এই পয়েন্টে আজ শূন্য দশমিক ২১ মিটার পানি কমেছে। নদীর সিলেট পয়েন্টে পানি কমেছে শূন্য দশমিক ৯ মিটার। কুশিয়ারা নদীর পানি অমলসিদ পয়েন্টে শূন্য দশমিক ৭ মিটার, শেওলা পয়েন্টে শূন্য দশমিক ৫ মিটার, ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ১ মিটার কমেছে। তবে শেরপুর পয়েন্টে পানি ১ মিটার বেড়েছে।
এছাড়া সারিগোয়াইন, পিয়াইন, লোভাছড়া ও ধলা নদীর পানি কমেছে। তবে ঢলে জেলার কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাট উপজেলার কয়েকটি নিচু এলাকা এখনও প্লাবিত অবস্থায় রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, ভারতের মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে। এ কারণে ঢলও অব্যাহত আছে। ঢল অব্যাহত থাকলে সিলেটের নদ-নদীর পানি ফের বাড়তে পারে।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিন মিয়া বলেন, ‘‘পানি কমায় সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে ঢলের কারণে স্রোত খুব বেশি। তাই সবাইকে সতর্কতার সাথে যাওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে। এছাড়া সাঁতার না জানলে দর্শনার্থীদের পানিতে না নামার অনুরোধ করা হয়েছে।’’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









