কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসের ঘটনায় ৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনায় ১৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মো. মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে নিহত শিক্ষার্থীদের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
আজ দুপুরে উখিয়ার ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের খতিজাতুল মহিলা হেফজখানার পাশে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পর ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. সিরাজ আমিন জানান, ভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের একটি অংশ ধসে হেফজখানার দেয়াল ভেঙে পাশের মক্তবের ওপর পড়ে। সে সময় সেখানে ৩০ জনের বেশি শিশু কোরআন শিক্ষা নিচ্ছিল। এ ঘটনায় পাঁচ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আমাদের উদ্ধার কাজ চলছে।
নিহতরা হলেন- রাশিদা বেগম (১৩), উম্মে নেজাতুল (১৩), উম্মে সালমা (১২), উমাইসা বিবি (১৩) এবং অপর এক শিশুর পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে ভারী বৃষ্টির সময় পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে খতিজাতুল মহিলা হেফজখানার দেয়াল ভেঙে পাশের মক্তবের ওপর পড়ে। সে সময় মক্তবের ভেতরে ৩০ জনের বেশি শিশু কোরআন শিক্ষা নিচ্ছিল। মুহূর্তেই সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট, এপিবিএন সদস্য, স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার কর্মীরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করা হয়েছে।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ডলার ত্রিপুরা বলেন, ‘‘এ পর্যন্ত পাঁচ শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।’’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









