চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত বাঁশখালী ও পেকুয়া উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্ট। ট্রাস্টের ম্যানেজিং ট্রাস্টি ও চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)-এর চেয়ারম্যান হযরত শাহ সুফি সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারীর আর্থিক সহায়তা ও নির্দেশনায় দিনব্যাপী খানখানাবাদ মাদ্রাসা থেকে পার্শ্ববর্তী দুইটি ইউনিয়ন ও ষাট গড়তলা, মিনজিরি পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঘর পুনর্নির্মাণের জন্য ঢেউটিন, নির্মাণসামগ্রী, নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
সোমবার (২৭ জুলাই) -২০২৬, দিনব্যাপী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঘর পুনর্নির্মাণের জন্য ঢেউটিন, নির্মাণসামগ্রী, নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে ট্রাস্টের মহাসচিব, চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএসপি কো-চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কাজী মহসিন চৌধুরী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। মানবসেবাই সর্বোত্তম ইবাদত। আমরা সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সকলের প্রতি আহ্বান জানাই বন্যাদুর্গত মানুষের পুনর্বাসনে এগিয়ে আসুন। পাশাপাশি দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, জরুরি চিকিৎসাসেবা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসকদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণেরও আহ্বান জানাচ্ছি। সময়োপযোগী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা গেলে বন্যা-পরবর্তী বিভিন্ন রোগব্যাধির ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্টের পরিচালনা পরিষদের সদস্য কাজী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, আনজুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর আহ্বায়ক খলিফা আহমদ উল্লাহ কুদ্দুস, বিএসপি চট্টগ্রাম জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, শাহজাদা মিজানুর রহমান সানজরী, পাবেল মাহমুদ, নূর মোহাম্মদ, ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী, হাফেজ মো. কেরামত আলীসহ ট্রাস্ট ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্থানীয়রা ট্রাস্টের এ মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে এ ধরনের সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









