পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি চিরাপাড়া নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যান।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার আসপদ্দী বাসস্ট্যান্ড ও মহিলা ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাউখালী থানার এসআই মহিউদ্দিন, এসআই হাসানসহ সঙ্গীয় ফোর্স।
পুলিশ জানায়, সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে মো. শাহীন খন্দকার (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে তল্লাশি করা হলে তার কাছ থেকে পাঁচ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তিনি রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং বর্তমানে কাউখালীতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছেন।
অন্যদিকে, আসপদ্দী মহিলা ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কলেজের নৈশপ্রহরী সঞ্জীব দাস (৩৫)কে মাদক গ্রহণের অভিযোগে আটক করা হয়। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটক দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে কাউখালী দক্ষিণ বাজারের চরপট্টি এলাকায় মহিউদ্দিন খান নামে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে চিরাপাড়া নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যান। পরে এএসআই মনোয়ার হোসেন তাকে আটক করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ
মো. শাহীন খন্দকার নামে একজনকে এবং মাদক গ্রহণের সময় সঞ্জীব দাস নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্য একজন মাদক ব্যবসায়ী নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। আটক দুইজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।"


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









