বগুড়ায় অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের তুলা ও সাধারণ টিস্যু ব্যবহার করে নারীদের স্যানিটারি ন্যাপকিনসহ বিভিন্ন সার্জিক্যাল পণ্য তৈরির অভিযোগে একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও র্যাব-১২। এ সময় কারখানাটির মালিককে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।
রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বগুড়া মহানগরীর ফুলদিঘী উত্তরপাড়া এলাকায় ‘এশা এন্টারপ্রাইজ’ নামের ওই কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক এমদাদুল হক।
র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার ফিরোজ আহম্মেদ জানান, ফুলদিঘী উত্তরপাড়া এলাকায় একটি বাসাবাড়িতে অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নারীদের স্যানিটারি ন্যাপকিন, শিশুদের নেবুলাইজার, ব্রেস্ট ফিডার পাম্পসহ বিভিন্ন সার্জিক্যাল সরঞ্জাম তৈরির তথ্য পাওয়া যায়। ওই তথ্যের ভিত্তিতে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন পণ্য তৈরি ও বাজারজাতের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, ‘জবা’ ও ‘সেফ কেয়ার’ নামের স্যানিটারি ন্যাপকিনের প্যাকেটে বগুড়ার কারখানার পরিবর্তে ঢাকার ধামরাইয়ের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছিল। তিনি এটিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের দৃষ্টিতে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও জানান, স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরিতে অত্যন্ত নিম্নমানের তুলা ও সাধারণ টিস্যু ব্যবহার করা হচ্ছিল। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এ ধরনের পণ্য তৈরি করা নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
অভিযানে অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির মালিককে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









