গরুর জন্য ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছিল কথাকাটাকাটি। বিষয়টি যে এতটা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে, তা হয়তো কেউই ভাবেননি। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই সেই তুচ্ছ বিরোধ রূপ নেয় রক্তাক্ত সংঘর্ষে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ হারান নিলয় সরকার (২৪)।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার পাবুর দক্ষিণ পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহত নিলয়ের চাচাতো ভাই রাসেলের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে রাসেল পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে গরুর ঘাস কাটা নিয়ে নিলয় সরকারের সঙ্গে তার বংশীয় চাচাতো ভাই রাসেলের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নিলয় সেখান থেকে চলে গিয়ে পাশের বল খেলা বাজারে যান।
পরে বাজার থেকে বাড়ির দিকে ফেরার পথে আব্দুর রশিদ এতিমখানার দক্ষিণ পাশে পৌঁছালে বিপত্তি ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ওই এলাকায় আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন রাসেল। নিলয় সেখানে পৌঁছামাত্রই তাকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়।
আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন নিলয়। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক নিলয় সরকারকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ সূত্র জানা যায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
কাপাসিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. যোবায়ের বলেন, ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে নিলয় ও রাসেলের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। পরে নিলয়কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান। ঘটনার পর অভিযুক্ত রাসেল আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









