কার ধামরাইয়ে স্ত্রীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ১৪ বছর বয়সী সৎ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে আজাহারুল ইসলাম ওরফে কাওছার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় কিশোরীর মা রিনা আক্তার বাদী হয়ে ধামরাই থানায় মামলা করেছেন।
গ্রেপ্তারের পর আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। কিশোরীকে উদ্ধার করে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের কেলিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় মালেকের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ওই রাতে কিশোরীর মাকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পর তার হাত-পা বেঁধে এবং মুখে কসটেপ লাগিয়ে রাখেন তার স্বামী আজাহারুল ইসলাম ওরফে কাওছার। পরে তিনি কিশোরীর কক্ষে প্রবেশ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর কিশোরীর ছোট বোন তার মায়ের হাত-পায়ের বাঁধন খুলে দেন। পরে মেয়ের কাছে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে কিশোরী তার মাকে ধর্ষণের বিষয়টি জানায়।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, এর আগেও অভিযুক্ত ব্যক্তি ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন বলে মায়ের কাছে অভিযোগ করেছে কিশোরী।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আজাহারুল ইসলাম ওরফে কাওছার বাড়িতে ফিরলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ সময় তাকে মারধর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পরে তাকে ধামরাই থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আহত অবস্থায় তাকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা জানান, আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমকে উদ্ধার করে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভিকটিমের ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
কিশোরীর মা রিনা আক্তার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









