শ্রীনগরে স্ত্রীর পরকিয়া প্রেমিককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় স্বামী মন্টুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে তাকে গাজীপুরের শ্রীপুর থানার ট্যাংরা বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে শ্রীনগর থানা পুলিশ।
জানা গেছে, ঢাকার লালবাগের কাশ্মিরী টোলা লেনের বাসিন্দা মো. মন্টুর স্ত্রীর সঙ্গে একই এলাকার আঃ জব্বারের (৫০) পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।
প্রায় ২ বছর পূর্বে মন্টু-রুবিনা দম্পতি শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর ইউনিয়নের পশ্চিম খৈয়াগাও গ্রামের কাজী সাইফুজ্জামানের বাড়ির কেয়ারটেকার হিসাবে কাজে যোগ দেয়। আঃ জব্বার মাঝে মধ্যে রুবিনার সাথে এখানে দেখা করতে আসতো।
গত ৬ মাস পূর্বে রুবিনা গোপনে আঃ জব্বারকে বিয়ে করে এবং ধর্মের ভাই পরিচয়ে তাকে নিজেদের সংসারে নিয়ে আসে। একসঙ্গে বসবাস করাকালে জব্বারের সঙ্গে রুবিনার অবাধ মেলামেশার বিষয়টি মন্টু টের পেয়ে যায়। মন্টুর চাপাচাপির কারনে রুবিনা-জব্বারের গোপন বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এ নিয়ে জব্বারের সঙ্গে মন্টুর বিরোধ তৈরি হয়।
এ সময় একই সঙ্গে দুই স্বামীর সঙ্গে রুবিনার সংসার করার বিষটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়। একপর্যায়ে রুবিনা-জব্বার মিলে মন্টুকে বাসা থেকে বের করে দেয়। মন্টুকে আইনগতভাবে রুবিনা তালাকও দেয়। এতে মন্টু ক্ষোভে ফুসতে থাকে।
গত ১৬ আগস্ট সকাল ৭টার দিকে মন্টু ওই বাড়িতে গিয়ে জব্বারের সঙ্গে তর্ক শুরু করে। তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে মন্টু ধারালো অস্ত্র দিয়ে জব্বারকে এলোপাথারি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। ওই দিনই চিকিৎসাধীন অবস্থায় জব্বারের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় গত ৩১ আগস্ট আঃ জব্বারের বড় স্ত্রী মিনারা বেগম বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তিনি জানান, আঃ জব্বার বাংলাদেশ সচিবালয়ের আউট সোর্সিং ইলেকট্রিকশিয়ান হিসাবে কাজ করতো।
শ্রীনগর থানার (ওসি) তদন্ত মিল্টন দত্ত জানান, মামলা হলেও মন্টু ভাসমান হিসাবে সববাস করায় তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বিকালে তাকে গাজিপুরের শ্রীপুর থেকে গ্রেপ্তার
করা হয়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









