নাটোরের গুরুদাসপুরের সার সিরাজগঞ্জের তাড়াশে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে ঘিরে এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সার ডিলার মো. গিয়াসউদ্দিন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একটি অটোরিকশায় কিছু বস্তা সার তাড়াশের দিকে নেওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। ভিডিওতে স্থানীয়দের কথোপকথনে ৪০ বস্তা সার এবং তাড়াশের সবুজপাড়ায় সার নেওয়ার কথা শোনা যায়। ভ্যানচালকের বক্তব্যে ডিলার গিয়াসউদ্দিনের নামও শোনা যায়।
ডিলার গিয়াসউদ্দিন দাবি করেন, ভিডিওটি ১৫ সেপ্টেম্বরের নয়, ১১ সেপ্টেম্বরের। তার দাবি, উপজেলার রানীগ্রামের কৃষক শহিদুল ও রাশিদুল তার কাছ থেকে ৮ বস্তা করে ১৬ বস্তা সার ম্যামো ও রেজিস্টার্ড ভুক্ত করে ন্যায্য মূল্যে কিনে নেয়। যাওয়ার সময় রাঙ্গা মোল্লা নামের এক স্থানীয় তাদের আটকিয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় ভয়ভীতি দেখিয়ে তার নাম বলানো হয়েছে। পরে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হলেও তিনি তা দেননি। এরপরই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে বলে দাবি তার।
অন্যদিকে রাঙ্গা মোল্লা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তিনি তা প্রত্যাখ্যান করায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।
গুরুদাসপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এখনো প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চলতি মৌসুমে সারসংক্রান্ত বিষয়ে সাতটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। উপজেলায় সারের কোনো ঘাটতি নেই বলেও জানান তিনি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









