বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দলের (বিএনপি) মিজানুর রহমান মিনু রাজশাহী-২ (সদর) আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হওয়ায় উচ্ছ্বসিত রাজশাহীর মানুষ। তিনি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর রাজশাহীর পাড়া-মহল্লায় করা হয় মিষ্টি বিতরণ।
রাজশাহী সিটি করপোরেশন নিয়ে গঠিত রাজশাহী-২ আসন। এর আগে ১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় এই আসন থেকে পূর্ণ মন্ত্রী হয়েছিলেন এমরান আলী সরকার। তিনি ছিলেন ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। এরপর পূর্ণ মন্ত্রী হলেন মিজানুর রহমান মিনু।
বিএনপির এই বর্ষীয়ান নেতা বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি মাত্র ৩২ বছর বয়সে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র হন। টানা ১৭ বছর ছিলেন মেয়রের দ্বায়িত্বে। ২০০১ সালে তিনি রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
মন্ত্রী হওয়ার পর মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তো বটেই, রাজশাহীর জন্যও নিরলসভাবে কাজ করে যাব। আমি এখন আরও ভালোভাবে রাজশাহীর জন্য কাজ করতে পারব।’
রাজশাহী জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক শফিকুল আলম সমাপ্ত বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নেতা মিজানুর রহমান মিনু ভূমি মন্ত্রী হচ্ছেন। এতে আমরা সবাই খুশি। তিনি এমন একজন মানুষ, যার কাছে যে কোনো মানুষ সহজেই যেতে পারেন। তিনি সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সাধ্যমত সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করেন।’
রাজশাহী মহানগর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি বলেন, ‘মিনু ভাই আধুনিক রাজশাহীর রূপকার। তিনি নিজের সন্তানের মতো করে এই শহরকে গড়ে তুলেছেন। এই দলের জন্য তিনি নিজের সারাটা জীবন উজাড় করে দিয়েছেন। তাকে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এ জন্য আমরা রাজশাহীবাসীর পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে কৃতজ্ঞতা জানাই।’
রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাত খান বলেন, ‘আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি এ জন্য যে, দীর্ঘ দিন পর রাজশাহীতে আমরা পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পেয়েছি। তিনি এবার আমাদের এই কৃষিভিত্তিক অঞ্চলটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পারবেন বলে বিশ্বাস করি।’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









