বিভাগীয় শহরগুলোতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। এ জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ট্রাইব্যুনাল ভবন নির্মাণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ও সুসংহত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই বিচার বিভাগের প্রধান লক্ষ্য।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সিলেটের গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে সিলেট বিভাগের চার জেলার বিচারকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন।
জুবায়ের রহমান চৌধুরী বলেন, বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ও সুসংহত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারকদের সর্বোচ্চ সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আদালতের নির্ধারিত কর্মঘণ্টার সর্বোচ্চ ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ না করার জন্যও তিনি বিচারকদের নির্দেশ দেন।
তিনি বিচারিক কার্যক্রমের উপযুক্ত ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ করে সাক্ষ্য গ্রহণ ও আসামি হাজিরকরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশনা দেন। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রয়োজনীয় সহযোগিতারও আশ্বাস দেন তিনি। একই সঙ্গে আইন ও বিচারিক মানদণ্ড যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেন প্রধান বিচারপতি।
অভিভাষণে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন আদালতে কর্মরত বিচারকেরা বিচারক ও সহায়ক কর্মচারীর সংকট, বাজেটস্বল্পতা এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। প্রধান বিচারপতি এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংকট নিরসনে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে সিলেট বিভাগের চার জেলার বিভিন্ন আদালতের বিচারকেরা অংশ নেন। মনিটরিং কমিটি ফর সাবঅর্ডিনেট কোর্টসের সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া চার জেলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজরা বক্তব্য দেন। তাঁরা দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি, কার্যকর বিচারসেবা, বিচারিক দক্ষতা ও উৎকর্ষ বৃদ্ধি এবং বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









