সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পানিতে ডুবে ও গলায় ফাঁস দিয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে ও সন্ধ্যায় উপজেলার সোনাখালী ও হরিনগর গ্রামে দূর্ঘটনাটি ঘটে।
উভয় ঘটনায় শ্যামনগর থানা পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে স্বজনদের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে। নিহত স্বজনের ভাষ্য মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে হরিনগর গ্রামের মনোয়ারা বেগম(৫২)।
অপরদিকে উপজেলার সোনাখালী গ্রামের মৃত রঞ্জিত ঘোষালের স্বজনরা জানান অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে মৃত্যু হয়েছে রঞ্জিত ঘোষালের(৮৪)।
মনোয়ারা বেগমের ছেলে মহসিন জানান,তিনি আগে থেকে মানসিকভাবে অসুস্থ। ইতিপূর্বে কয়েকবার আত্নহত্যার চেষ্টা করেছেন। শনিবার সন্ধ্যায় নিজ বসত ঘরের আড়ার সাথে দড়ি লাগিয়ে আত্নহত্যা করেন। ৬ বছর বয়সী পৌত্র ঘরে ঢুকে দাদিকে ঝুলতে দেখে ডাক চিৎকারে পরিবারেরর সদস্যরা এগিয়ে এসে উদ্ধারের চেষ্টা করেন।
এদিকে রঞ্জিত ঘোষালের ছেলে রামকৃষ্ণ ঘোষাল বলেন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনি শয্যাসায়ী ছিলেন। সকালে তার স্ত্রীকে নিয়ে জেলা সদরে যান চিকিৎসার উদ্দেশ্যে। বাড়িতে কেহ না থাকার সুযোগে পুকুরের পাশ দিয়ে হাঁটার সময় তার পিতা পুকুরে পড়ে গিয়েছিল বলে ধারণা। বাড়িতে ফিরে তার স্ত্রী শশ্বরকে পুকুরের পানিতে ভাসতে দেখে প্রতিবেশিদের খবর দেন। পর তার মৃতদেহ উদ্ধার করেন।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন উভয় পরিবারের সদস্য ময়নাতদন্ত ছাড়াই মৃতদেহ গ্রহনের আবেদন জানান। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের দাবির পক্ষে সত্যতা পেয়েছে। এমতাবস্থায় পরিবারের আবেদন যাচাই বাছাই পূর্বক পরবর্তী ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









