একদিকে প্রখর রোদ, অন্যদিকে খরচের বোঝা জোড়া চাপে পিষ্ট সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার কৃষি অর্থনীতি। জ্বালানি তেলের অস্থিতিশীল দর ও স্থানীয় বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হওয়া ডিজেলের প্রভাবে উপজেলায় সেচ ও জমি চাষের খরচ আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে। ফসল ফলাতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন স্থানীয় প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, রোপা আমন চাষের জমি গুলোতে চাষ ও পানি সেচ দিতে নাভিশ্বাস উঠছে কৃষকদের। লিটারপ্রতি ডিজেলের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে পাওয়ার টিলার ও ট্রাক্টর মালিকেরা জমি প্রস্তুতের ভাড়াও বাড়িয়ে দিয়েছেন কয়েক গুণ। একইভাবে ডিজেলচালিত গভীর নলকূপের মাধ্যমে পানি সেচ দিতে অতিরিক্ত অর্থ গুণতে হচ্ছে সেচ পাম্পের মালিক ও সাধারণ চাষিদের।
কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, শুধুমাত্র সেচ ও জমি চাষেই বিঘা প্রতি খরচ এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেছে। এর সাথে সার, বীজ ও দিনমজুরের বাড়তি মজুরি যুক্ত হয়ে উৎপাদন ব্যয় ঠেকেছে চরম শিখরে। উপজেলার একাধিক কৃষক জানান, "ফসল ফলাইতেই যদি সব পুঁজি শেষ হয়ে যায়, তবে হাটে বিক্রির পর আমাদের আর কী অবশিষ্ট থাকবে? লোকসান গুনে কত দিন চাষবাস চালানো সম্ভব?"
এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার সুবর্ণা ইয়াসমীন সুমী জানান, উপজেলার সর্বস্তরের কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ, দিকনির্দেশনা এবং সরকারি সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









