রাজশাহীর দুর্গাপুরে নিজ উদ্যোগে আঙ্গুর ও বেদানা বাগান গড়ে তুলে নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছেন সাবেক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোকলেছুর রহমান। শুধু আঙ্গুর চাষেই সীমাবদ্ধ থাকেননি তিনি; একই সঙ্গে বাগানে রোপণ করেছেন মিষ্টতা ও ফলনসমৃদ্ধ বিভিন্ন উন্নত জাতের বেদানা ও কমলা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, যথাযথ পরিচর্যা ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে গাছের থোকায় থোকায় ঝুলছে সবুজ ও লালচে রঙের পাকা আঙ্গুর। পাশাপাশি বেদানার গাছেও এসেছে আশাব্যঞ্জক মুকুল ও ফল। স্থানীয় আবহাওয়া ও মাটিতে যে সুস্বাদু আঙ্গুর ও বেদানা চাষ সম্ভব, তা হাতে-কলমে প্রমাণ করে দেখিয়েছেন এই সাবেক কৃষি কর্মকর্তা।
প্রতিদিন তাঁর এই চোখ জুড়ানো ফলবাগান দেখতে এবং বিষমুক্ত বিদেশি ফল চাষের নানা কৌশল ও পরামর্শ নিতে স্থানীয় কৃষকসহ উৎসুক মানুষের উপচে পড়া ভিড় জমছে।
উদ্যোক্তা মোকলেছুর রহমান জানান, সঠিক নিয়মে যত্ন নিলে আমাদের দেশের মাটিতেও বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি এসব ফলের ফলন বাড়ানো সম্ভব। এটি একদিকে যেমন স্থানীয় ফলের চাহিদা মেটাবে, অন্যদিকে কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা পারভীন লাবনী বলেন, “আমাদের জলবায়ু ও মাটি উচ্চমূল্যের বৈচিত্র্যময় ফল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। মোকলেছুর রহমানের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে যে সফল আঙ্গুর ও বেদানা বাগান গড়ে তুলেছেন, তা স্থানীয় কৃষকদের নতুন ও লাভজনক ফসল চাষে উৎসাহিত করবে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে এই ধরনের বিদেশি ফল চাষ সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কারিগরি পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।”রাজশাহী দুর্গাপুর প্রতিনিধি:
রাজশাহীর দুর্গাপুরে নিজ উদ্যোগে আঙ্গুর ও বেদানা বাগান গড়ে তুলে নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছেন সাবেক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোকলেছুর রহমান। শুধু আঙ্গুর চাষেই সীমাবদ্ধ থাকেননি তিনি; একই সঙ্গে বাগানে রোপণ করেছেন মিষ্টতা ও ফলনসমৃদ্ধ বিভিন্ন উন্নত জাতের বেদানা ও কমলা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, যথাযথ পরিচর্যা ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে গাছের থোকায় থোকায় ঝুলছে সবুজ ও লালচে রঙের পাকা আঙ্গুর। পাশাপাশি বেদানার গাছেও এসেছে আশাব্যঞ্জক মুকুল ও ফল। স্থানীয় আবহাওয়া ও মাটিতে যে সুস্বাদু আঙ্গুর ও বেদানা চাষ সম্ভব, তা হাতে-কলমে প্রমাণ করে দেখিয়েছেন এই সাবেক কৃষি কর্মকর্তা।
প্রতিদিন তাঁর এই চোখ জুড়ানো ফলবাগান দেখতে এবং বিষমুক্ত বিদেশি ফল চাষের নানা কৌশল ও পরামর্শ নিতে স্থানীয় কৃষকসহ উৎসুক মানুষের উপচে পড়া ভিড় জমছে।
উদ্যোক্তা মোকলেছুর রহমান জানান, সঠিক নিয়মে যত্ন নিলে আমাদের দেশের মাটিতেও বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি এসব ফলের ফলন বাড়ানো সম্ভব। এটি একদিকে যেমন স্থানীয় ফলের চাহিদা মেটাবে, অন্যদিকে কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা পারভীন লাবনী বলেন, “আমাদের জলবায়ু ও মাটি উচ্চমূল্যের বৈচিত্র্যময় ফল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। মোকলেছুর রহমানের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে যে সফল আঙ্গুর ও বেদানা বাগান গড়ে তুলেছেন, তা স্থানীয় কৃষকদের নতুন ও লাভজনক ফসল চাষে উৎসাহিত করবে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে এই ধরনের বিদেশি ফল চাষ সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কারিগরি পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









