নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি। উপজেলার সাতটি কলেজ থেকে মোট ৮১৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র ১৫৩ জন। সে হিসাবে উপজেলায় মোট পাসের হার ১৮ দশমিক ৭০ শতাংশ।
কলেজভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ থেকে ৯২ জন, আত্রাই মহিলা কলেজ থেকে ২০ জন, শুটকিগাছা কে ডি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১ জন, বড়শিমলা মহিলা কলেজ থেকে ২ জন, বান্দাইখাড়া কলেজ থেকে ১৯ জন, পাইকরা বড়াইখুড়ি কলেজ থেকে ১৬ জন এবং কচিরউদ্দিন দেওয়ান মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৩ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।
ফলাফলে দেখা যায়, উপজেলার সাতটি কলেজের বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা—কোনো বিভাগ থেকেই একজন শিক্ষার্থীও জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি। অর্থাৎ পুরো উপজেলায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা শূন্য।
এ বিষয়ে স্থানীয় শিক্ষাবিদ সাদেকুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অমনোযোগিতা, মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় ব্যয়, অভিভাবকদের পর্যাপ্ত তদারকির অভাব এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদানের মানসহ বিভিন্ন বিষয় ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে ফলাফলের প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।”
এদিকে, এইচএসসি পরীক্ষায় উপজেলায় মাত্র ১৮ দশমিক ৭০ শতাংশ পাসের হার এবং কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









