বগুড়ার শিবগঞ্জে শাহ আলম (৩৫) নামে এক রাজমিস্ত্রীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৬ মে) সকালে উপজেলার বিহার ইউনিয়নের সংসারদিঘী (দবিলা) গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শাহ আলম ওই গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে শাহ আলমের স্ত্রী পস্তা বেগম একই গ্রামের আব্দুল জব্বার নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পালিয়ে যান এবং তাকে বিয়ে করেন। এরপর থেকেই আব্দুল জব্বার বিভিন্ন সময় শাহ আলমকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ স্বজনদের।
পারিবারিক সূত্রে আরও জানা যায়, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে শাহ আলম স্থানীয় বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। গভীর রাত পর্যন্ত ঘরে না ফেরায় স্বজনরা তার মোবাইলে কল দিলে সেটি বন্ধ পান। পরদিন শনিবার সকালে বাড়ির পেছনের ধানক্ষেতে তার মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা।
নিহতের মামা হারুন মিয়া বলেন, “গত দুইদিন আগে ভাগিনা শাহ আলম আমাকে বলেছিল যে জব্বার তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। তখন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেইনি। আজ সকালে শুনলাম ধানক্ষেতে তার গলাকাটা লাশ পড়ে আছে। আমাদের ধারণা, পূর্ব শত্রুতার জেরে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।”
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো হাসুয়া উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই হাসুয়া দিয়েই তাকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে।
ওসি শাহীনুজ্জামান বলেন, “এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









