ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর বড় রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, “নিপীড়িত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নরেন্দ্র মোদির সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর সময় এসেছে।”
শনিবার (২৫ জুলাই) নিজ বাসভবন ১০ জনপথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাহুল গান্ধী। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দেশজুড়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান এবং গণতন্ত্র, সংবিধান ও নিজেদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
রাহুল গান্ধী বলেন, “ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি লেখেন, দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থী ও তরুণ, যারা গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার আন্দোলনে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন, তাদের নিয়ে তিনি গর্বিত।”
আন্দোলনের সময় সরকারের দমন-পীড়নের সমালোচনা করে রাহুল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “ভয় না পেয়ে সাংবিধানিক উপায়ে নিজেদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।”
বাকি রয়েছে আরও দুই দাবি
রাহুল গান্ধীর মতে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ হলেও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সব দাবি এখনো পূরণ হয়নি। তিনি বলেন, সরকারের কাছে আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি রয়ে গেছে।
তার ভাষ্য, প্রথমত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ও সম্মানের প্রতি দায় স্বীকার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। দ্বিতীয়ত, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
সরকার পরিবর্তনের আহ্বান
ভারতের কৃষক, শ্রমিক, দরিদ্র এবং সরকারের নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি সংহতি জানিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, প্রকৃত সাহস হলো সাংবিধানিক পথে নিজের অধিকার ও মর্যাদার জন্য অবিচল থাকা।
তিনি সবাইকে ভয় না পেয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









