দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিতে কপার তার ও টিউব আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি কাঁচামালে শুল্ক কমিয়ে উৎপাদন খাতকে সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।
প্রস্তাব অনুযায়ী, কপার তার আমদানিতে ১০ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক আরোপ এবং কপার টিউব আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ১৫ শতাংশ শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে। এ পদক্ষেপ দেশীয় উৎপাদনকারী শিল্পকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এছাড়া স্থানীয় ডিটারজেন্ট শিল্পের প্রধান কাঁচামাল লিনিয়ার অ্যালকাইল বেনজিন আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে ১ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে কোল্ড-রোল্ড ও কোটেড কয়েল-শিট উৎপাদনকারী শিল্পের সুরক্ষায় এসব পণ্যের আমদানিতে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ প্রতিপাদ্যে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, ফলে বাজেট ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।
এই ঘাটতি পূরণে সরকার বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।
প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের জিডিপি ধরা হয়েছে ৬৮ লাখ ৩০ হাজার ২৪ কোটি টাকা। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি কমিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









