অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য শেষ পাঁচ ওভারে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৯ রান, হাতে ছিল পাঁচ উইকেট। তখনও উইকেটে অপরাজিত ছিলেন ১৪৯ রান নিয়ে ব্যাট করতে থাকা ওপেনার কুপার কোনোলি। কিন্তু দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাচে নাটকীয়তা ফিরিয়ে আনে বাংলাদেশ।
শেষ দিকে শরিফুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমানের বোলিং তোপে মাত্র ৫ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। তবে শেষ পর্যন্ত অ্যাডাম জাম্পার বাউন্ডারিতে ১ উইকেটের শ্বাসরুদ্ধকর জয় তুলে নেয় সফরকারীরা।
এতে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াল অস্ট্রেলিয়া, যদিও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ।
রবিবার (১৪ জুন) মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের শেষ ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ। ৬১ রানে টপঅর্ডারের ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে তাওহিদ হৃদয়, লিটন দাস ও মোসাদ্দেক হোসেন ৫ উইকেটে দলকে ২৭৪ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ এনে দেন।
ব্যাট হাতে বাংলাদেশের হয়ে ওপেনার তানজিদ তামিম করেন (১৯) রান। রান বড় করতে পারেননি তিনে নামা নাজমুল শান্তও (২৪)। চতুর্থ উইকেটে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় ১৮৫ রানের দারুণ এক জুটি দেন দলকে। বড় রানের পথেও তুলে নেন।
হৃদয় ৮৮ বলে আটটি চারের শটে ৮৩ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। মোসাদ্দেক হোসেন ৫১ বলে পাঁচটি চার ও এক ছক্কায় হার না মানা ৫৫ রান যোগ করেন। লিটন দাস অপরাজিত থাকলেও কিছুটা ধীর ছিলেন। তার ব্যাট থেকে ৭৮ বলে ৫৮ রান আসে।
জবাব দিতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ৪০ রানে পরপর দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। ৭০ রানে তারা তৃতীয় উইকেট হারায়। সেখান থেকে ওপেনার কনলি ও চারে নামা মার্নাস লাবুশানে ৬৪ রান যোগ করেন। লাবুশানে ২৯ রানে ফিরে গেলে ২৭ রান করে যোগ করেন ক্যামেরুন গ্রিন ও অলিভার পিক। তাদের ইনিংস জুড়ে ছিলেন ওপেনার কনলি। তিনি ১৩৪ বলে ১৪৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। তার ব্যাট থেকে ১৩টি চার ও ছয়টি ছক্কার শট আসে।
বল হাতে বাংলাদেশ দলের দুর্দান্ত বোলিং করেছেন বাঁ হাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। তিনি ১০ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে ক্যারিয়ার সেরা ৬ উইকেট তুলে নেন। পেসার তাসকিন, মুস্তাফিজ ও স্পিনার শেখ মাহেদী নেন একটি করে উইকেট।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









